প্রচ্ছদ অর্থনীতি পেয়াজের পাশাপাশি দরপতনে কাঁচা মরিচ

পেয়াজের পাশাপাশি দরপতনে কাঁচা মরিচ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজের ঝাঁজের সঙ্গে এবার কাঁচা মরিচের ঝালও কমতে শুরু করেছে। গত ২০-২৫ দিন ধরে দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার পর অবশেষে কাঁচা মরিচের দামে স্বস্তি আসছে।

শনিবার বিকালে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের মোকামে আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচ ৬০-৭০ টাকা কেজিতে পাইকারি বিক্রি হয়েছে। তবে ভোক্তাদের কাছে এ খবর স্বস্তির হলেও বন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা বলছেন, হঠাৎ করে দরপতনের ফলে প্রতি কেজিতে তাদের প্রায় ৫০ টাকার মত লোকসান হচ্ছে।

এদিকে হিলি বাজারের খুচরা দোকানে দামের প্রভাব পড়ায় আমদানি করা কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। যেখানে শুক্রবারও খুচরা মূল্য ছিলো ১৪০ টাকা। এতে কেজিতে মান ভেদে ৪০-৬০ টাকা করে কমেছে। অন্যদিকে, বন্দরে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৮-২১ টাকা কেজি দরে। আর হাট-বাজারে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা জানায়, গত এক মাস ধরে উত্তরের কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা বন্যা ও ভারী বর্ষণে প্লাবিত হওয়ায় অন্য ফসলের পাশাপাশি কাঁচা মরিচের আবাদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার আগে এলাকা ভেদে ৪০-৬০ টাকায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু বন্যার পর দাম বেড়ে ১৪০-১৬০ টাকা হয়ে যায়। কোথাও কোথাও আবার ২০০ টাকাতেও বিক্রি হয়।

দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা দেখা দেয়ায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে কয়েক গুণ হয়। এ অবস্থায় দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি করে পণ্যটির দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। আবার পাইকাররা এখানে এসেও কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

বন্দরের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বিনা জানান, ভারত থেকে আমদানি করে গত কয়েকদিন ধরে এমনিতেই প্রতি কেজিতে ৯-১০ টাকা করে লোকসান হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার হঠাৎ করেই দাম অনেক কমে গেছে।

তিনি জানান, শনিবার হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি করা কাঁচা মরিচ পাইকারি বিক্রি হয়েছে মান ভেদে ৬০-৭০ টাকায়। এর ফলে ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজিতে ৪৫-৫০ টাকা করে লোকসান দিচ্ছেন। দেশের বাজারে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করে ব্যবসায়ীরা এখন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ অবস্থায় আমদানি বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হিলি স্থলবন্দরের মোকামে এক সপ্তাহ ধরে আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচ পাইকারি ১০৬-১০৭ টাকায় বিক্রি হয়। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয় ১৩০-১৪০ টাকায়।

বন্দরের আরেক ব্যবসায়ী জানান, ভারত থেকে প্রতি কেজি আমদানি করে দেশে আনা পর্যন্ত প্রায় ৯৫ টাকা পড়ে। এরপর সরকারকে প্রতি কেজিতে শুল্ক দিতে হচ্ছে প্রায় ২১ টাকা। সব মিলে প্রতি কেজি আমদানি করতে খরচ হচ্ছে ১১৬ টাকা।(নিউজ ডেক্স)

না’গঞ্জে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২৬, মোট ৫ হাজার ৬১৮ জন

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত...
error: Content is protected !!

Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebanglaexpress/public_html/wp-includes/functions.php on line 4609