Tuesday, September 29, 2020
প্রচ্ছদ শহরতলী বন্দর মসজিদ কমিটির নির্বাচনে প্রচারে এগিয়ে লুৎফর প্যানেল

বন্দর মসজিদ কমিটির নির্বাচনে প্রচারে এগিয়ে লুৎফর প্যানেল

বন্দর আমিন জামে মসজিদের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনে মোজাম্মেল – লুৎফর প্যানেল ব্যপক প্রচারনা চালিয়ে আসছে। তারা প্রতিদিন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া চাচ্ছেন।

তারা ভোটার দের বলছেন আমিন আবাসিক জামে মসজিদের উন্নয়ন, মুসুল্লিদের আরামে নামাজ আদায়সহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে।

এ ছাড়াও আমিন আবাসিক এলাকার প্রতিটি বাড়ির মালিক দের বাড়ির নিরাপত্তা বিধান, মাদক,চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস মুক্ত এলাকা গড়ে তোলা হবে।

মোজাম্মেল – লুৎফর প্যানেলে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,সমাজসেবক হাজ্বী মোঃ মোজাম্মেল হক ব্যালট নং-০১, সহ সভাপতি হাজ্বী আশরাফ উদ্দিন খান ব্যালট নং- ০২,সাধারন সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান ব্যালট নং -০৩,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ মাহবুর অর রশিদ ব্যালট নং-০৪,কোষাধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকার ব্যালট নং-০৫ নির্বাচন করছেন।

মসজিদের বিল্ডিং নির্মানে কোটি  টাকার উপরে ব্যয় করা হলেও ব্যাংকে একাউন্টের মাধ্যমে খরচের হিসাব দেখাতে পারে নাই। একাউন্ট থাকা সত্বেও ব্যাংকে কোন টাকা জমা রাখেনি।

বিগত নয় বছর শাহজাহান,আমজাদ গং মসজিদ কমিটি গঠন করলেও কিভাবে গঠন করেছে,সদস্য ছিল কারা,কত জন ছিল তাও বলতে পারেনি। এতে প্রমান হয় শাহজাহান,আমজাদসহ গুটি কয়েক জন লোক মসজিদের ফান্ডের টাকা হরিলুট করেছে।

তাদের গত ৯ বছরের কার্যক্রমে আমিন আবাসিক এলাকাকে মাদক,সন্ত্রাস ও চাদাঁবাজদের স্বর্গ রাজ্যে পরিনত করেছে। হাজ্বী মোজাম্মেল হক আরো বলেন,আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে মসজিদের সকল অনিয়ম দূর করে মসজিদের সার্বিক উন্নয়ন, নামাজের উন্নত পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ উন্নয়নে আমরা কাজ করবো।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোঃ লুৎফর রহমান বলেন,আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে মসজিদের পার্শ্বের খালি জায়গা ক্রয়করে মসজিদ বর্ধিত করা হবে,জরুরী ভিত্তিতে মসজিদ টি ওয়াফকা করা হবে,মুসুল্লীদের জন্য মসজিদে কোরআন,হাদিস ও জ্ঞান ভিত্তিক পাঠাগারের ব্যবস্থা করা হবে,মসজিদের নীচতলার অকেজো এসি পরিবর্তন ও দোতলা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হবে,মুসুল্লীদের ওজুর সুবিধার্থে নতুন ওজু খানা নির্মাণ, মসজিদের আয় ব্যয় ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরিচালনা নিশ্চিত করা হবে,

এলাকাবাসী ও মুসুল্লীদের অবগতির জন্য ৩ মাস পর পর আয় ব্যয়ের হিসাব পেশ করা হবে,গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো মুসুল্লী ও এলাকাবাসীর সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে,সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে বহিরাগত, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হবে,আমিন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কে সড়কে গেইট নির্মাণ করা হবে।যে কোন জটিল সমস্যা সমাধানে সম্মানিত ব্যক্তি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় সমাধানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোষাধ্যক্ষ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন,আমরা কাইয়ুম- শাহজাহান – আমজাদ গংদের মতো মসজিদের টাকা লুটপাট করবোনা। জনগনের টাকার হিসাব ১৫ দিন পর পর মুসুল্লীদের সামনে তুলে ধরবো। যেন স্বচ্ছতা আসে।

আগামী ১৩ তারিখ ১ নং হতে ৫ নং ব্যালটে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে ভোটারদের প্রতি আহবান জানান মোজাম্মেল – লুৎফর প্যানেলের প্রার্থীগন।