Categories
লিড-৪ শহরতলী

যুবদল নেতা রশিদের দখলে বক্তাবলী ঘাটের যাত্রী ছাউনি

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সংলগ্ন যাত্রী ছাউনি যাত্রীদের জন্য নির্মিত হলেও সেখানে স্থান হয়না যাত্রীদের। বরং যাত্রী ছাউনি দখল করে দোকান ভাড়া ও অফিস ঘর করা হয়েছে।

একটি সুত্র হতে জানা যায়, ২০১০ সালে জেলা পরিষদ ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একতলা বিশিষ্ঠ যাত্রী ছাউনি নির্মান করা হয়। পরবর্তীতে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে দোতলা নির্মাণ করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী ও যাত্রীরা জানান,যাত্রীদের সুবিধার জন্য যাত্রী ছাউনি নির্মান করা হলেও তারা রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হলেও যাত্রী ছাউনি দখল করে দোকান ভাড়া ও অফিস ঘর বানিয়েছে বক্তাবলী ইউনিয়ন  যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  মোঃ আব্দুর রশিদ।

এলাকাবাসীর দাবী  আওয়ামীলীগের নেতাদের ম্যানেজ করে রশিদ যাত্রী ছাউনি দখল করে আছে।

চরনবীনগর এলাকার মাহবুবের নিকট মাসিক ২ হাজার টাকায় নীচতলায় দোকান ভাড়া দিয়েছে। দোতলা দখল করে রশিদ নিজের অফিস বানিয়েছে।

যাত্রী দের ব্যবহার করার জন্য সরকারী অর্থে যাত্রী ছাউনি নির্মান করা হলেও রশিদ আওয়ামী লীগের নেতাদের ম্যানেজ করে পুরোটা দখল করে নেয়ায় সর্বত্র তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

অবৈধভাবে দখল মুক্ত করে যাত্রী ছাউনি যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী করতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী মহল।

এর আগে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিকের দৃষ্টিগোচর করা হলে তিনি সাংবাদিকদের নিকট ৭ দিন সময় চান। ৭ দিনের জায়গায় প্রায় ২ মাস অতিবাহিত হতে চললেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।

এ বিষয় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিককে একাধিক বার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এ ব্যাপারে দখলবাজ আব্দুর রশিদ  বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে জাইনেন বলে মোবাইল  সংযোগটি কেটে দেন।

এবিষয় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী বলেন, ঘাটে যাত্রীদের সুবিধার্থে ছাউনি নির্মাণ করা হয়ে ছিলো। কিন্তু ফেরীর যে ষ্টাফরা আছে তাদের থাকার জন্য কোন জায়গার ব্যবস্থা আমরা এখনও করতে পারিনি। তাই সেখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর যারা ঐখানে ব্যবসা করছে তারা জেলা পরিষদ ও আমাদের কাছ থেকে শর্তস্বাপেক্ষে অনুমতি নিয়েছে। সরকারের প্রয়োজনে তারা এই জায়গা ছেড়ে দিতে বাধ্য থাকিবে।

আমরা আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফেরীর ষ্টাফদের থাকার জায়গা আমরা ব্যবস্থা করে ফেলবো। এর পরেই যাত্রীদের জন্য এই ছাউনি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *