Thursday, October 15, 2020
প্রচ্ছদ লিড-৩ বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নগরীর বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও কর্মচারী বৃন্দ।

বুধবার (৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে তারা এই নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে তারা আরও উল্লেখ্য করেন, বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত নিণ্ম মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। বিদ্যালয়টি ২০০৪ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সুদীর্ঘ ১৫ বছর যাবত দক্ষ প্রধান শিক্ষকের অভাবে বিদালয়ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হতে পারেনি। ২০১২ সালে শাখা অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও সুদক্ষ বিচক্ষন প্রধান শিক্ষক না থাকায় শাখার বিপরীতে শিক্ষকদের এমপিও করাতে ব্যর্থ হয়।

বর্তমান প্রধান শিক্ষক সুলতানা বেগম ২০১৫ সরকারী বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে তার বিচক্ষণ নেতৃত্বে দক্ষ ব্যবস্থাপনায় শাখার বিপরীতে এমপিও ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়। সম্পুর্ণ বৈধ ভাবে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক অনলাইন প্রতিকৃয়ার ২ জন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত করান।

একই সাথে দুটি পদ শূন্যতা সাপেক্ষে আরও দুইজন শিক্ষককে তিনি সরকাতী বিধি অনুযায়ী এমপিও ভুক্ত করতে সমর্থ হন। তার অসাধারণ কর্ম নিষ্ঠায়, অকান্ত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হওয়ায় হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে আরও একজন শিক্ষক এবং একজন দারোয়ান এমপিও ভুক্ত হন।

এই সমস্ত শিক্ষকগন বর্তমান প্রধান শিক্ষক সুলতানা বেগমের যোগদানের পুর্বেই সরকারী বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ দিন  এমপিও ভুক্ত বঞ্চিত ছিলেন।  প্রধান শিক্ষকের যোগ্য নেতৃত্বের কারনে পদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে এই সকল শিক্ষক কর্মচারীগণ এমপিও ভুক্ত হতে সক্ষম হন। পাশাপাশি তিনি বৈধভাবে সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

বর্তমান প্রধান শিক্ষক জনাব সুলতানা বেগম এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে জালকুড়ি হাইস্কুল এন্ড কলেজে এমপিও ভুক্ত সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ২০ বছর কর্মরত ছিলেন। তিনি সকল শিক্ষক কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে সাথে নিয়ে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে বিদ্যালয়টিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন । সমস্ত কাজে আনেন সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবকের মধ্যে গড়ে তুলেন এক অসাধারন সেতুবন্ধন, যার ফলশ্রুতিতে বিদ্যালয়টির লেখাপড়ার মান উত্তোরন্ত বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বর্তমানে জেলার একে বারে তলানিতে থাকা বিদ্যালয়টির পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল ঈর্ষানিত পর্যায়ে পৌছায়। কিন্তু বর্তমানে কিছু পত্রিকায় একজন সৎ ও দক্ষ প্রধান শিক্ষক যার নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তার ও বিদ্যালয়ের সম্মানিত সভাপতির বিরুদ্ধে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে।

যা বিদ্যালয়টি এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট বাধার স্বরূপ। আমরা সকল শিক্ষক কর্মচারীগণ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং শিক্ষার্থী ও অভিবাবক সহ বিদ্যালয়ের সকল শুভাকাঙ্খিদের এই পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অতীতের ন্যায়  উদ্বাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।