দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হতে চলছে, এরই মধ্যে দেশে নির্বাচন ও সরকার গঠন করে জন স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় চার মাস যাবৎ দেশ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী জনগনের কাছে অনেকটাই পরিষ্কার করে দিয়েছেন সবার আগে বাংলাদেশ। আর এই দেশ গড়ার পেছনে বাঁধা হওয়া ব্যক্তিদের বিন্দু পরিমান ছাড় দেওয়া হবে না তা ইতিমধ্যেই ঘোষনা দিয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখল, মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত কোন ব্যক্তিকেই বিন্দু পরিমান ছাড় নয়। দেশের জনগনের কাছে সেটাও পরিষ্কার। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রিও ঘোষনা দিয়েছেন অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয় আইনী ব্যবস্থা জনসম্মুখে উন্মোচিত হবে।
ইতিমধ্যেই সারা দেশে অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা যাচাই বাছাই করে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে। একশন এখন সময়ের অপেক্ষা।
এদিকে, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের প্রায় দুই বছরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত অনেক ব্যক্তিই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিনত হয়েছে। তাদের বিষয় খোজ খবর নিয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। আর সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানায় বিশস্থ সূত্র।
অচিরেই তাদের বিষয় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অপেক্ষায় আইশৃঙ্খলা বাহিনীরা বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অপকর্মের ফাইল জমা পড়েছে দলের প্রধানের কাছে। অচিরেই বেশ বেকায়দায় পড়তে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত নেতারা। অনেকেই রয়েছেন প্রশাসনের নজরদারিতে।
এ বিষয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বলেন, ৫ই আগষ্টের আগে যারা কর্মীদের পকেটের টাকা দিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি নিজেরে খরচ চালাতো। তাদের অনেকেই এখন টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। অনেকেই একাধিক ফ্লাটের মালিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, ঝুট সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, গ্যাস চোর ও মাদকের সাথে জড়িত হয়ে অর্থের ভাড়ে নুয়ে পড়ছেন।
এদের অনেকেই আওয়ামী লীগের সাথে আতাঁত করে দলের দুঃসময়ে রাজনীতির নামে ভন্ডামী করেছেন। অথচ দলের সুসময় এখন তারা আওয়ামীলীগের নেতাদের সার্পোট দিয়ে নিজের সাথে তাদেরকেও অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করছে।
অথচ যারা দলের দুঃসময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করে মামলা হামলার শিকার হয়েছে। তাদের বিষয় কোন খোজ খবর নেয়ার সময় তাদের নেই। তাই আমরা চাই এই সকল সুবিধা বাদী নেতাদের বিষয় খোজ খবর নিয়ে আইনের আওতায় আনা হউক।