<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সাহিত্য ও সংস্কৃতি Archives - The Bangla Express</title>
	<atom:link href="https://thebanglaexpress.com/category/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://thebanglaexpress.com</link>
	<description>Bd Newspaper</description>
	<lastBuildDate>Tue, 30 Dec 2025 15:22:14 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.5</generator>
	<item>
		<title>খালেদা খানম  পুতুল থেকে দেশমাতা</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2025/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://thebanglaexpress.com/2025/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 15:15:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশেষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=23819</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী যাকে আপামর জনতা দেশনেত্রী হিসেবে সম্মান জনক অবস্থানে রেখেছেন তিনি সকলের প্রিয় বেগম খালেদা জিয়া। যিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেশ ও দেশের জনগনের পক্ষে কথা বলেছেন। দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে কখনই [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2025/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6/">খালেদা খানম  পুতুল থেকে দেশমাতা</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p><strong><em>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ</em></strong> বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী যাকে আপামর জনতা দেশনেত্রী হিসেবে সম্মান জনক অবস্থানে রেখেছেন তিনি সকলের প্রিয় বেগম খালেদা জিয়া। যিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেশ ও দেশের জনগনের পক্ষে কথা বলেছেন। দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে কখনই তিনি আপোষ করেননি। শত বাধা পেরিয়ে সব সময় শুধু দেশ ও দেশের জনগনের কথাই তার মাথায় ছিলো। আপোষ না করার কারনে তাকে মিথ্যা মামলায় কারাবাস, আদরের এক সন্তানকে হারাতে হয়েছে চিরতরে। আরেক সন্তান জীবিত থাকলেও ছিলো না মায়ের বুকে কারন সেই সন্তানকেও মিথ্যা মামলায় করা হয়ে ছিলো দেশান্তরি। তবুও তিনি দেশ ও জনগনের স্বার্থে ছিলেন অটল তাই তো তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছে হয়ে উঠেন দেশমাতা আর জনগণের কাছে ছিলেন দেশনেত্রী। আজ সেই দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মায়া ত্যাগ করে মহান রাব্বুল আলামিনের ডাকে চলে গেছেন পরপারে। মহান রাব্বুল আলামিন তাকে জান্নাত নসিব করুন। আজকে পাঠকদের সুবিধার্থে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকম এর পরিবারের পক্ষ থেকে তার জীবনের কিছু সামান্য অংশ তুলে ধরা ….</p>



<p>খালেদা জিয়া&nbsp; আগস্ট ১৯৪৫ &#8211; ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ যিনি সাধারণত বেগম খালেদা জিয়া নামে পরিচিত , একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং আবার ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।&nbsp; প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী । তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং সেনা কমান্ডার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী । তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন এবং নেত্রী ছিলেন , যা তার স্বামী ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।</p>



<p>১৯৭৭ সালে তার স্বামী জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি হিসেবে জাতীয়ভাবে পরিচিত হন । ১৯৮১ সালে তার হত্যার পর , খালেদা রাজনীতিতে যোগ দেন এবং বিএনপির নেতৃত্ব দেন। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর , তিনি গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জয়ের পর তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন । ১৯৯৬ সালের স্বল্পস্থায়ী এবং বিতর্কিত সরকারের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন , যেখানে বেশিরভাগ বিরোধী রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করেছিল। পরবর্তীকালে, রাজনৈতিক দলগুলির যৌথ আন্দোলনের ফলে, তিনি ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ২০০১ সালে তার দল আবার ক্ষমতায় আসে এবং তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তার শাসনামলে দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ছিল।</p>



<p>২০০৬ সালে তার সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অস্থিতিশীলতার কারণে ২০০৭ সালের জানুয়ারির নির্বাচন বিলম্বিত হয়, যার ফলে রক্তপাতহীন সামরিক-সমর্থিত ক্ষমতা দখল করা হয়। সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জিয়া এবং তার দুই পুত্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনে।&nbsp; ২০১৮ সালে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং ২০১৮ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।</p>



<p>২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে জিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২০২০ সালের মার্চ মাসে, মানবিক কারণে তাকে ছয় মাসের জন্য গৃহবন্দী করে মুক্তি দেওয়া হয় এবং রাজনীতিতে কোনও ধরণের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীকালে, শিক্ষার্থীদের গণ-অভ্যুত্থানের ফলে  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মুক্তির আদেশ জারি করেন, যার ফলে তাকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।  , জিয়া দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান।  দীর্ঘ অসুস্থতার পর, জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে হাসপাতালে মারা যান।</p>



<p>ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবার প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা</p>



<p>খালেদা খানম &#8220;পুতুল&#8221;&nbsp; ১৯৪৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ( বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ভারত) বঙ্গ প্রদেশের জলপাইগুড়িতে বর্তমান বাংলাদেশের ফুলগাজীর এক বাঙালি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।&nbsp; তিনি চা ব্যবসায়ী বাবা ইস্কান্দার আলী মজুমদার, যিনি ফেনীর বাসিন্দা ছিলেন এবং মা তৈয়বা মজুমদার , যিনি পশ্চিম দিনাজপুরের ( বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) ইটাহারের চাঁদবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন, তাদের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। ইস্কান্দার আলীর মতে, ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের পর পরিবারটি পাকিস্তানের পূর্ব বাংলার দিনাজপুরে চলে আসে ।&nbsp; খালেদা নিজেকে &#8220;স্ব-শিক্ষিত&#8221; হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার কোনও রেকর্ড নেই;&nbsp; প্রথমে তিনি দিনাজপুর মিশনারি স্কুল এবং পরে দিনাজপুর গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করেন । ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন , যিনি তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন । বিয়ের পর, তিনি তার স্বামীর নামের প্রথম অংশ পদবি হিসেবে গ্রহণ করে তার নাম পরিবর্তন করে খালেদা জিয়া রাখেন। তিনি দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি হন কিন্তু ১৯৬৫ সালে স্বামীর সাথে থাকার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।&nbsp; ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তার স্বামী একজন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন । ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে, এই দম্পতি পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে আসেন ।&nbsp; সেনাবাহিনীতে রহমানের পোস্টিংয়ের কারণে, পরিবারটি চট্টগ্রামে চলে আসে ।</p>



<p>পরিবার</p>



<p>১৯৭৯ সালে জিয়া তার স্বামী জিয়াউর রহমানের সাথে</p>



<p>জিয়ার প্রথম পুত্র তারেক রহমান (জন্ম ১৯৬৭), রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ।&nbsp; তার দ্বিতীয় পুত্র আরাফাত রহমান &#8220;কোকো&#8221; (জন্ম ১৯৬৯), ২০১৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। জিয়ার বোন খুরশিদ জাহান (১৯৩৯-২০০৬), ২০০১-২০০৬ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।&nbsp; তার ছোট ভাই সাঈদ ইস্কান্দার (১৯৫৩-২০১২), একজন রাজনীতিবিদও ছিলেন যিনি ২০০১-২০০৬ সালে ফেনী-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।&nbsp; তার দ্বিতীয় ভাই শামীম ইস্কান্দার, বাংলাদেশ বিমানের একজন অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার । তার দ্বিতীয় বোন সেলিনা ইসলাম।</p>



<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ</p>



<p>১৯৭১ সালের ১৬ মে জিয়া চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন।&nbsp; তিনি তার দুই সন্তান তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান এবং কর্নেল মাহফুজের স্ত্রীকে নিয়ে সন্ধ্যায় লঞ্চে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছান । সেখান থেকে তার বড় বোন খুরশিদ জাহান এবং তার বোনের স্বামী মোজাম্মেল হক তাদের একটি জিপে ঢাকার খিলগাঁওয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান । গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে এই খবরও ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ মে, তার শ্যালক মোজাম্মেল হক জানতে পারেন যে পাকিস্তানি সৈন্যরা তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পেরেছে। এরপর থেকে আত্মগোপন শুরু হয়। এই বাড়ি থেকে সেই বাড়িতে, কেউ কেউ নির্যাতনের ভয়ে &#8216;বেগম&#8217;কে জায়গা দিতে পারেনি। তার শ্যালক মোজাম্মেল হক ২৮ মে জিয়া এবং তার দুই ছেলে পিনো এবং কোকোকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করেন এবং ৩ জুন সেখান থেকে। তারপর, এক অজানা ঠিকানা থেকে, জিয়ার স্ত্রী ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের উপ-পরিচালক এস কে আবদুল্লাহর সিদ্ধেশ্বরী বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।&nbsp; ২ জুলাই সকালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী কর্তৃক গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত বেগম জিয়া সেই বাড়িতেই ছিলেন।</p>



<p>গ্রেপ্তারের পর, জিয়া এবং তার দুই সন্তানকে পুরাতন সংসদ ভবনের একটি কক্ষে রাখা হয়। তারপর সেখান থেকে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় । ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তাকে সেখানে আটক রাখা হয়। ১৬ ডিসেম্বর সকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। সকালে, তাকে একটি জিপে করে পুরানা পল্টনে তার চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় ।</p>



<p>১৯৭১ সালের ২১শে আগস্ট জিয়াউর রহমান তার স্ত্রীকে নিয়ে একটি চিঠি লেখেন। তৎকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জামশেদ পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের জিএইচকিউ ঢাকায় ছিলেন । তাকে তার অধীনে আটক করা হয়েছিল। রহমান যখন পশ্চিম পাকিস্তানের পাঞ্জাব রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন , তখন জামশেদ তার কমান্ডার ছিলেন। জিয়ার চিঠিটি &#8216;অধিকৃত&#8217; এলাকা থেকে শাফায়াত জামিল পোস্ট করেছিলেন এবং মেজর জেনারেল জামশেদের কাছে পৌঁছেছিলেন।</p>



<p>পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণের পর, জিয়া এবং তার দুই ছেলেকে বিমানে ঢাকা থেকে সিলেটের শমশেরনগরে নিয়ে যাওয়া হয় । জিয়াউর রহমানের অনুরোধে জেনারেল অরোরা এই ব্যবস্থা করেন। মেজর চৌধুরী খালেকুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ শমশেরনগর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান এবং স্থানীয় একটি রেস্ট হাউসে নিয়ে যান। শমশেরনগরে খুব অল্প সময় কাটানোর পর, জিয়া এবং তাদের দুই ছেলে জিয়াউর রহমানের সাথে কুমিল্লা সেনানিবাসে যান।&nbsp; ১৯৭৭ সালে, তার স্বামী দেশের রাষ্ট্রপতি হন , জিয়া তার প্রথম মহিলা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৩০ মে ১৯৮১সালে, জিয়ার স্বামী জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয় ।&nbsp; তার মৃত্যুর পর, ২ জানুয়ারী ১৯৮২ সালে, তিনি প্রথমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর সদস্য হন &#8211; যে দলটি রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।</p>



<p>এরশাদ বিরোধী আন্দোলন মূল নিবন্ধ: বাংলাদেশে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান</p>



<p>১৯৮২ সালের মার্চ মাসে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বিএনপি রাজনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থান শুরু করেন এবং দেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (সিএমএলএ) হন । এর ফলে বাংলাদেশে নয় বছরের দীর্ঘ সামরিক শাসনের সূচনা হয়।</p>



<p>বিএনপি এবং ৭ দলীয় জোট</p>



<p>এরশাদের শাসনের প্রথম দিন থেকেই জিয়া সামরিক শাসনের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং অত্যন্ত আপোষহীন অবস্থান নিয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালের মে মাসের মধ্যে তিনি বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হন। তার সক্রিয় নেতৃত্বে, বিএনপি ১২ আগস্ট ১৯৮৩ সালে ছয়টি দলের সাথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করে এবং ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি &#8216; ৭-দলীয় জোট &#8216; গঠন করে।&nbsp; জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে একটি কর্মভিত্তিক চুক্তিতেও পৌঁছে।</p>



<p>১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জিয়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম বড় জনসভায় নেতৃত্ব দেন এবং দলীয় কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর তিনি জোট নেতাদের সাথে ঢাকায় সচিবালয় ভবন ঘেরাও আন্দোলনে অংশ নেন, যা এরশাদের পুলিশ বাহিনী দমন করে এবং একই দিনে তাকে গৃহবন্দী করা হয়।</p>



<p>স্বাস্থ্যগত অবস্থার অবনতির কারণে, বিচারপতি আবদুস সাত্তার ১৯৮৪ সালের ১৩ জানুয়ারী বিএনপি প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং জিয়া তার স্থলাভিষিক্ত হন, যিনি তখন দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৪ সালের মে মাসে, কাউন্সিলরদের দ্বারা অনুষ্ঠিত একটি কাউন্সিলে তিনি দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।</p>



<p>দলীয় প্রধানের পদ গ্রহণের পর, জিয়া এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৮৪ সালে, অন্যান্য দলের সাথে, তিনি ৬ ফেব্রুয়ারিকে &#8216;দাবি দিবস&#8217; এবং ১৪ ফেব্রুয়ারিকে &#8216;প্রতিবাদ দিবস&#8217; হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই দিনগুলিতে দেশব্যাপী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতি এরশাদের প্রতি অনুগত নির্মম পুলিশ বাহিনীর সাথে লড়াই করতে করতে আন্দোলনের কর্মীরা রাস্তায় মারা যান।</p>



<p>৭-দলীয় জোট ৯ জুলাই ১৯৮৪ তারিখে দেশব্যাপী &#8216;গণ প্রতিরোধ দিবস&#8217; পালন করে। সামরিক আইন অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবির সমর্থনে, বিরোধী শক্তি ১৬ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ঘেরাও এবং বিক্ষোভ এবং ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪ তারিখে পূর্ণ দিবস হরতাল ডাকে।</p>



<p>১৯৮৫ সালেও বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল এবং ফলস্বরূপ, একই বছরের মার্চ মাসে, এরশাদের নেতৃত্বাধীন সরকার সামরিক আইনের কব্জা আরও শক্ত করে এবং জিয়াকে গৃহবন্দী করে।</p>



<p>১৯৮৬ সালের নির্বাচন বয়কট করা</p>



<p>রাজনৈতিক চাপ এড়াতে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদ ১৯৮৬ সালে নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে, দুটি প্রধান বিরোধী জোট, বিএনপির নেতৃত্বে &#8216;৭-দলীয় জোট&#8217; এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে &#8216;১৫-দলীয় জোট&#8217;, নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে, এরশাদকে আটকানোর জন্য একটি বৃহত্তর নির্বাচনী জোট গঠন করে। তবে, আওয়ামী লীগ কোনও নির্বাচনী জোট গঠন করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ১৯৮৬ সালের ১৯ মার্চ এক জনসভায় শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন যে এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যোগদানকারী যে কেউ &#8216;জাতীয় বিশ্বাসঘাতক&#8217; হবেন।</p>



<p>তবে, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ , বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি এবং আরও ছয়টি দলের সাথে , এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যোগ দেয়, যার ফলে ১৫-দলীয় জোটের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়। অন্যদিকে, জিয়া আপোষহীনভাবে নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করেন এবং জনগণকে নির্বাচন প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান।</p>



<p>নির্বাচনের প্রাক্কালে এরশাদের সরকার তাকে গৃহবন্দী করে, যখন আওয়ামী লীগ , বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী , বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি এবং অন্যান্য ছোট দল নির্বাচনে অংশ নেয় কিন্তু জাতীয় পার্টির কাছে হেরে যায় ।</p>



<p>জিয়ার আপোষহীন মনোভাব এবং সামরিক একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে তার অবাধ্যতা জনগণের চোখে একজন &#8220;আপোষহীন নেতার&#8221; ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল। গওহর রিজভী তার বিশ্লেষণে লিখেছেন:</p>



<p>সরকারি নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা, নির্বাচন বর্জন, লাভজনক পদ প্রত্যাখ্যান, অথবা কারাবাস ভোগ করা ব্যক্তিগত ত্যাগের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এমন একটি দেশের মানুষ যা অত্যন্ত প্রশংসিত, যেখানে রাজনীতি সাধারণত ক্ষমতার নির্লজ্জ সাধনা এবং ব্যক্তিগত আধিপত্য বিস্তার করে। খালেদা জিয়া বিএনপির নেত্রী হিসেবে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রকাশ্যে এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালীন যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে আসছেন। ১৯৮৬ সালে নির্বাচন বর্জনের পর তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।</p>



<p>সেই বছরের শেষের দিকে, ১৯৮৬ সালের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে , জিয়াকে আবারও গৃহবন্দী করা হয়।</p>



<p>এরশাদের পতন আরও দেখুন: বাংলাদেশে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান</p>



<p>১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদের সামরিক সরকার জিয়াকে একাধিকবার গৃহবন্দী করে।</p>



<p>১৯৮৬ সালের ১৩ অক্টোবর, তাকে ১৯৮৬ সালের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঠিক আগে গৃহবন্দী করা হয় এবং নির্বাচনের পরেই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি তার মুক্তির নেতৃত্ব দেন এবং এরশাদকে উৎখাতের লক্ষ্যে একটি নতুন আন্দোলন শুরু করেন। একই বছরের ১০ নভেম্বর তিনি অর্ধদিবসের ধর্মঘট ডাকেন, কিন্তু আবারও গৃহবন্দী করা হয়।</p>



<p>১৯৮৭ সালের ২৪শে জানুয়ারী, যখন শেখ হাসিনা অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন , তখন জিয়া সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে রাস্তায় ছিলেন। তিনি ঢাকায় একটি গণসমাবেশের ডাক দেন, যা সহিংস হয়ে ওঠে এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর, ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত জিয়ার নেতৃত্বে ৭-দলীয় জোট ধারাবাহিক হরতাল আয়োজন করে। বছরের ২২শে অক্টোবর, জিয়ার বিএনপি, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের সাথে সহযোগিতায়, এরশাদকে উৎখাত করার জন্য ১০ নভেম্বর &#8220;ঢাকা দখল&#8221; কর্মসূচি ঘোষণা করে।</p>



<p>পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে, এরশাদের সরকার হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে আটক করে, কিন্তু দখলের দিন রাস্তায় সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং কয়েক ডজন লোক মারা যায়। সরকার জিয়াকে পূর্বাণী হোটেল থেকে আটক করার পর গৃহবন্দী করে , যেখান থেকে তিনি আন্দোলনের সমন্বয় করছিলেন। ১৯৮৭ সালের ১১ ডিসেম্বর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন এবং দাবি করেন যে স্বৈরশাসককে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য তিনি &#8220;মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত&#8221;।</p>



<p>১৯৮৭ সালের ঘটনাবহুল ঘটনার পর, পরবর্তী দুটি বছর তুলনামূলকভাবে শান্তভাবে কেটে যায় বিক্ষিপ্ত সহিংসতার মধ্য দিয়ে। বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল দেশজুড়ে বেশিরভাগ ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচনে জয়লাভ করতে শুরু করলে আন্দোলনের এক নতুন ঢেউ শুরু হয়। ১৯৯০ সালের মধ্যে, জিয়ার জনপ্রিয়তার উপর ভর করে ছাত্রদল দেশের ৩২১টি ছাত্র ইউনিয়নের মধ্যে ২৭০টির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৯৯০ সালে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের সকল পদও জিতে নেয়। [ 54 ] আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে ডাকসুর নতুন কমিটি বিএনপির কর্মসূচির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এরশাদকে উৎখাতের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর, ঘটনার এক সহিংস মোড়কে, সরকারপন্থী শক্তির সাথে সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নাজিরউদ্দিন জেহাদ ঢাকায় নিহত হন, যা সমস্ত বিরোধী শক্তির মধ্যে বৃহত্তর জোটের পথ প্রশস্ত করে।</p>



<p>দুই মাসব্যাপী বিক্ষোভের পর, জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।</p>



<p>প্রিমিয়ারশিপ মূল নিবন্ধ: খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্ব</p>



<p>জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রথম মেয়াদ ছিল ১৯৯১ সালের মার্চ থেকে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, দ্বিতীয় মেয়াদ ছিল ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর কয়েক সপ্তাহ এবং তৃতীয় মেয়াদ ছিল ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত। শিক্ষাকে সহজলভ্য করে তোলা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার প্রবর্তনে তার ভূমিকার জন্য তাকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।</p>



<p>প্রথম মেয়াদ (১৯৯১–১৯৯৬) মূল নিবন্ধ: প্রথম খালেদা মন্ত্রিসভা</p>



<p>বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এরশাদের আট বছরের রাষ্ট্রপতিত্বের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন পরিচালনা করে । বিএনপি ১৪০টি আসন জিতেছিল &#8211; সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১১টি আসন কম।&nbsp; সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেপুটিদের সমর্থনে জিয়া ২০ মার্চ ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ জিয়াকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত প্রায় সমস্ত ক্ষমতা প্রদান করেন, যার ফলে বাংলাদেশ কার্যকরভাবে সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে আসে। সর্বসম্মত ভোটে, সংসদ ১৯৯১ সালের আগস্টে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাস করে, যার ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান ঘটে।</p>



<p>শিক্ষাগত সংস্কার</p>



<p>১৯৯১ সালে যখন জিয়া ক্ষমতায় আসেন, তখন বাংলাদেশি শিশুরা গড়ে প্রায় দুই বছর শিক্ষা লাভ করত এবং প্রতি তিন ছেলের জন্য একই শ্রেণীকক্ষে একজন মেয়ে পড়াশোনা করত। জিয়া শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত আমূলভাবে প্রচার করেছিলেন। তার সরকার প্রাথমিক শিক্ষা সকলের জন্য বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক করে তোলে। দশম শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের জন্য শিক্ষা বিনামূল্যে করা হয়।</p>



<p>নতুন সংস্কার ও নীতি বাস্তবায়নের জন্য তহবিল সংগ্রহের জন্য, ১৯৯৪ সালে, শিক্ষা বাজেট ৬০% বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যা আনুষ্ঠানিক বাজেট খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ছিল।</p>



<p>১৯৯০ সালে, মাত্র ৩১.৭৩% শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল, এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ৩০.১১%। ১৯৯৫ সালে, তার নীতিমালার জন্য, ৭৩.২% শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল, এবং মহিলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে, ৭১.৫৮% পাস করেছিল।</p>



<p>অর্থনৈতিক সংস্কার</p>



<p>জিয়ার প্রথম সরকারের আমলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার ঘটে, যার মধ্যে ছিল মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রবর্তন, ১৯৯১ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং ১৯৯৩ সালে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন এবং ১৯৯৩ সালে বেসরকারিকরণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা। অধিকন্তু, বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।&nbsp;</p>



<p>বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য ১৯৯৩ সালে ঢাকার কাছে একটি নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয়।</p>



<p>প্রশাসনিক সংস্কার</p>



<p>প্রথম জিয়া সরকার, জনগণের দাবি পূরণের জন্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের ভোটারদের দ্বারা সরাসরি নির্বাচিত করার অনুমতি দেওয়ার জন্য একটি আইন পাস করে। এর আগে, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলররা শহরের মেয়র নির্বাচন করতেন।</p>



<p>জিয়ার প্রশাসন ১৯৯১ সালের নভেম্বরে উপজেলা ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে। তারা স্থানীয় সরকার কাঠামো পর্যালোচনা কমিশন গঠন করে, যা স্থানীয় সরকারের দ্বি-স্তরীয় ব্যবস্থার সুপারিশ করে: জেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ। এছাড়াও, থানা পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ের জন্য থানা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়।</p>



<p>দ্বিতীয় মেয়াদ এবং পরাজয় (১৯৯৬) মূল নিবন্ধ: দ্বিতীয় খালেদা মন্ত্রিসভা</p>



<p>১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বিরোধী দল বয়কট করলে , ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে জিয়ার দল বিএনপি নিরপেক্ষ জয়লাভ করে । অন্যান্য প্রধান দল নির্বাচন তদারকির জন্য একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়োগের দাবি করে। স্বল্পস্থায়ী সংসদ তাড়াহুড়ো করে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী পাস করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করে । ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করার জন্য সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়।</p>



<p>১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে , বিএনপি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের কাছে হেরে যায় । ১১৬টি আসন জিতে,&nbsp; বিএনপি দেশের সংসদীয় ইতিহাসে বৃহত্তম বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়।</p>



<p>&nbsp; তৃতীয় মেয়াদ (২০০১-২০০৮)</p>



<p>পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য বিএনপি ১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারী একটি চারদলীয় জোট গঠন করে। এর মধ্যে ছিল তাদের প্রাক্তন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জাতীয় পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মতো ইসলামী দলগুলি । এটি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকে উৎসাহিত করে।</p>



<p>অনেক বাসিন্দা জিয়া এবং বিএনপির জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। চারদলীয় জোট ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আসন এবং ৪৬% ভোট (প্রধান বিরোধী দলের ৪০% ভোটের তুলনায়) জিতে। জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।</p>



<p>তিনি জাতির কাছে দেওয়া তার বেশিরভাগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ১০০ দিনের একটি কর্মসূচিতে কাজ করেছিলেন। এই মেয়াদে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় অভ্যন্তরীণ সম্পদের অংশ বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ দেশের অবকাঠামো, জ্বালানি সম্পদ এবং ব্যবসার উন্নয়নের জন্য উচ্চ স্তরের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে শুরু করে, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন এবং জাপানও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই সময়কালে আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার একটি অর্জন ছিল।</p>



<p>জিয়া তার পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ককে উৎসাহিত করেছিলেন। তার &#8220;পূর্বমুখী নীতি&#8221;তে, তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের প্রতি আনুগত্যের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আলোচনা করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ ত্যাগ করেছিলেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ শুরু করে। ২০০৬ সালে, ফোর্বস ম্যাগাজিনে তার প্রশাসনকে তার অর্জনের প্রশংসা করে একটি প্রধান প্রতিবেদনে স্থান দেওয়া হয়েছিল। তার সরকার তরুণীদের (প্রায় ৭০% বাংলাদেশী নারী নিরক্ষর) শিক্ষিত করার এবং দরিদ্রদের (বাংলাদেশের ১৩৫ মিলিয়ন মানুষের অর্ধেক দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করত) খাদ্য বিতরণের জন্য কাজ করেছিল। তার সরকার অর্থনৈতিক সংস্কার এবং উদ্যোক্তা সংস্কৃতির সমর্থনের উপর ভিত্তি করে শক্তিশালী জিডিপি প্রবৃদ্ধি (৫%) প্রচার করেছিল।</p>



<p>জিয়া যখন তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন, তখন বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের উপরে ছিল। বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ৪৮২ ডলারে উন্নীত হয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আগের ১ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। বাংলাদেশের সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ২.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। জিয়ার ক্ষমতার শেষে জিডিপির শিল্প খাত ১৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।</p>



<p>২০০৬ সালের ২৯শে অক্টোবর জিয়ার মেয়াদ শেষ হয়। সংবিধান অনুসারে, সাধারণ নির্বাচনের আগে ৯০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন সময় একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালনা করবে। শেষ দিনের প্রাক্কালে, প্রধান উপদেষ্টা ( বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান) কে হবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ঢাকার মধ্যাঞ্চলের রাস্তায় দাঙ্গা শুরু হয় । সংবিধান অনুসারে, অবিলম্বে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করার কথা ছিল। তবে, প্রধান বিচারপতি খন্দকার মাহমুদ হাসান (কেএম হাসান) পদটি প্রত্যাখ্যান করেন।&nbsp; সংবিধানে উল্লেখিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ , ২৯শে অক্টোবর ২০০৬ তারিখে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।&nbsp; কয়েক মাসের সহিংসতার সময় তিনি নির্বাচনের ব্যবস্থা করার এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আলোচনার টেবিলে আনার চেষ্টা করেছিলেন; ২০০৬ সালের নভেম্বরে সরকারের পদত্যাগের পর প্রথম মাসেই ৪০ জন নিহত এবং শত শত আহত হন।</p>



<p>রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা মুখলেছুর রহমান চৌধুরী , জিয়া, শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে দেখা করে সমস্যা সমাধান এবং নির্বাচনের সময়সূচী নির্ধারণের চেষ্টা করেন। রাজনৈতিক বিবাদ, বিক্ষোভ এবং অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ মেরুকরণের পটভূমিতে আলোচনা অব্যাহত ছিল।&nbsp; আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ ডিসেম্বর ২০০৬ তারিখে, সমস্ত রাজনৈতিক দল ২২জানুয়ারী ২০০৭ সালের পরিকল্পিত নির্বাচনে যোগ দেয়। আওয়ামী লীগ শেষ মুহূর্তে প্রত্যাহার করে নেয় এবং জানুয়ারিতে, সামরিক বাহিনী দীর্ঘ সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন করার জন্য হস্তক্ষেপ করে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এটি ক্ষমতায় ছিল।</p>



<p>সামগ্রিকভাবে, ২০০১-২০০৬ সালের মধ্যে বিএনপির মেয়াদে অর্থনীতির শিল্প ও পরিষেবা খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, দারিদ্র্য থেকে জনগণকে উন্নীত করা হয় এবং বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় একটি অর্থনৈতিক শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে আবির্ভূত হয়।</p>



<p>সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ</p>



<p>ঢাকা সেনানিবাসের ৬ শহীদ মইনুল রোডে ১.১ হেক্টর (২.৭২ একর) জমির বাড়িতে জিয়ার পরিবার ৩৮ বছর ধরে বসবাস করে আসছিল ।&nbsp; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ (ডিসিএস) হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার সময় এটি তার স্বামী জিয়াউর রহমানের সরকারি বাসভবন ছিল।&nbsp; বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর, তিনি বাড়িটি তার বাসভবন হিসেবে রেখেছিলেন। ১৯৮১ সালে তার হত্যার পর, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার জিয়াকে &#8220;জীবনের জন্য&#8221; বাড়িটি নামমাত্র ৳ ১০১ ডলারে লিজ দিয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালে সেনাবাহিনী যখন সরকার দখল করে, তখন হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন।</p>



<p>২০ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে, সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর জিয়াকে সেনানিবাসের বাসভবন খালি করার জন্য একটি নোটিশ দেয়।&nbsp; নোটিশে বেশ কিছু অভিযোগ এবং অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে &#8211; প্রথমত, জিয়া বাড়িটি থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন, যা বরাদ্দের শর্তের বিরুদ্ধে ছিল; দ্বিতীয়ত, রাজধানীতে দুটি সরকারি বাড়ির বরাদ্দ পাওয়া যায়নি; এবং তৃতীয়ত, একজন বেসামরিক ব্যক্তি একটি সেনানিবাসের মধ্যে আবাসিক ইজারা পেতে পারেননি।&nbsp; জিয়া ১৩ নভেম্বর ২০১০ তারিখে বাড়িটি খালি করেন। এরপর তিনি গুলশান পাড়ায় তার ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের বাসভবনে চলে যান</p>



<p>২০১৮ সালে অভিযোগ এবং কারাদণ্ড</p>



<p>২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে ৩ জুলাই ২০০৮ তারিখে , দুদক জিয়া এবং আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে এতিমদের জন্য একটি বিদেশী ব্যাংক থেকে আসা ২.১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে। মামলার অভিযোগ অনুসারে, ৯ জুন ১৯৯১ তারিখে, ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে ১.২৫৫ মিলিয়ন ডলার (৪.৪৫ কোটি টাকা) অনুদান প্রধানমন্ত্রীর এতিমখানা তহবিলে স্থানান্তরিত হয় &#8211; একটি তহবিল যা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জিয়া তহবিল তহবিলের অংশ হিসেবে অনুদান স্থানান্তরের কিছুক্ষণ আগে তৈরি করেছিলেন।&nbsp; ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ তারিখে, তিনি বগুড়ায় একটি এতিমখানা নির্মাণের অজুহাতে প্রধানমন্ত্রীর এতিমখানা তহবিল থেকে ২.৩৩ কোটি টাকার একটি চেক জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে ইস্যু করেন ।&nbsp; ২০০৬ সালের এপ্রিল নাগাদ, জমাকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়ে ৩.৩৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়, যার মধ্যে সুদও ছিল। ২০০৬ সালের এপ্রিল, জুন এবং জুলাই মাসে, কিছু অর্থ বিভিন্ন লেনদেনের মাধ্যমে আরও তিনজন অভিযুক্ত &#8211; সালিমুল, মমিনুর এবং শরফুদ্দিনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়।&nbsp; ২০০৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, দুটি এফডিআর অ্যাকাউন্ট থেকে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ২.১০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়।&nbsp; জিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি তহবিল থেকে একটি বেসরকারি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে সেই অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়।</p>



<p>২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। [ 127 ] রায়ের আগে বকশীবাজার আদালত প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন জ্যামার স্থাপন করা হয়।&nbsp; তার দল দাবি করে যে রায়টি রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট।&nbsp; রায়ের পর জিয়াকে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় ।&nbsp; ২০১৬ সালে সকল বন্দীকে কেরানীগঞ্জের নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল, তাই তাকে কারাগারে একমাত্র বন্দী হিসেবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।&nbsp; ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্তৃপক্ষকে জিয়াকে প্রথম শ্রেণীর ডিভিশন প্রদানের নির্দেশ দেয়।&nbsp; ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে, দুদক পুনর্বিবেচনার আবেদন করার পর হাইকোর্ট তার কারাদণ্ডের সাজা ১০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে ।</p>



<p>৩০ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় , জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা, নাইকো দুর্নীতি মামলা, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা, দারুসসালাম থানা মামলা, যাত্রাবাড়ী থানা মামলা, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা, নৌপরিবহনমন্ত্রীর উপর বোমা হামলা মামলা, খুলনা অগ্নিসংযোগ মামলা, কুমিল্লা অগ্নিসংযোগ মামলা, জাল জন্মদিন উদযাপন মামলা, জাতীয় পতাকা অবমাননা মামলা এবং ঋণ খেলাপি মামলা সহ আরও ৩২টি মামলায় খালেদা জিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়।</p>



<p>২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে ফেনী-১ , বগুড়া-৬ এবং বগুড়া-৭ আসনের জন্য জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।  সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, &#8220;যে ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য বা থাকার জন্য অযোগ্য হবেন, যদি না তার মুক্তির পর থেকে পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়।&#8221;  তার দল আওয়ামী লীগের কাছে সেই সাধারণ নির্বাচনে হেরে যায়। </p>



<p>১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়।&nbsp; মানবিক কারণে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট মোট চারবার তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়।</p>



<p>২৫শে মার্চ ২০২০ তারিখে, জিয়াকে ছয় মাসের জন্য কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়, শর্তসাপেক্ষে গুলশানে তার বাড়িতে থাকতে হবে এবং দেশ ত্যাগ করতে হবে না। [ 19 ] ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ধারা 401(1) অনুসারে সরকার এই নির্বাহী সিদ্ধান্ত জারি করে। ২০২১ সালের মধ্যে, তার মুক্তির মেয়াদ চারবার বাড়ানো হয়েছিল।</p>



<p>হাসিনা সরকারের পতনের পর, তিনি বেশ কয়েকটি মামলা থেকে খালাস পান। ২৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি এবং বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান। ১৫ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালাস পান।</p>



<p>২০২৪ সালের মুক্তি</p>



<p>২০২৪ সালের অসহযোগ আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর , ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন জিয়ার মুক্তির নির্দেশ দেন।&nbsp; এর কিছুক্ষণ পরেই, তিনি ২০১৮ সালের পর তার চিকিৎসাকালীন কারাবাস থেকে প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতি দেন, যেখানে তিনি &#8220;অসম্ভবকে সম্ভব করার জন্য করণীয়-মরণের সংগ্রামে থাকা সাহসী মানুষদের&#8221; প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সংযম এবং &#8220;ভালোবাসা ও শান্তির&#8221; প্রয়োজনীয়তার আহ্বান জানান। ১৩ আগস্ট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার পুলিশ এসকর্ট সুবিধা পুনরুদ্ধার করে যা ২০১৫ সালে শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক বাতিল করা হয়েছিল। ১৯ আগস্ট, ২০০৭ সাল থেকে জব্দ করা জিয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয় ।</p>



<p>২০২৫ সালে, জিয়া ঘোষণা করেন যে তিনি ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, বগুড়া-৭ , ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩ আসনের জন্য তার প্রার্থীতা ঘোষণা করেন । তবে, এটিও ঘোষণা করা হয়েছিল যে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা তার ছেলে তারেকের নেতৃত্বে এবং ভাবমূর্তির অধীনে পরিচালিত হবে।</p>



<p>২০২৫ সালে মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে জিয়া</p>



<p>অসুস্থতা এবং মৃত্যু জিয়া তার মৃত্যুর এক মাস আগে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে</p>



<p>২০২১ সাল থেকে জিয়া দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ, পচনশীল লিভার রোগ, অস্থির হিমোগ্লোবিন, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং অন্যান্য বয়স-সম্পর্কিত জটিলতায় ভুগছিলেন।&nbsp; ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে, জিয়ার বাড়ির বেশ কয়েকজন কর্মীর কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে । জিয়াও ভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানা যায়, কিন্তু তার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি এবং পরে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।&nbsp; ২৮ নভেম্বর, জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড ঘোষণা করে যে তিনি লিভার সিরোসিসে ভুগছেন । বিদেশে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য তাকে আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত প্রত্যাখ্যান করে।&nbsp; জিয়া ২৭ এপ্রিল-১৯ জুন ২০২১, ১২ অক্টোবর-৩ নভেম্বর ২০২১ এবং আবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ সাল থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।&nbsp; ৯ জানুয়ারী ২০২২ তারিখে, জিয়াকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে স্থানান্তর করা হয়।</p>



<p>৭ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে, জিয়া চিকিৎসার জন্য কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডন যান।&nbsp; ৮ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে, জিয়াকে লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় ।</p>



<p>২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, জিয়াকে &#8216;অত্যন্ত গুরুতর&#8217; অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ।&nbsp; ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, সরকার তাকে ভিভিআইপি ঘোষণা করে এবং তার নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে।&nbsp; ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, বিএনপি ঘোষণা করে যে জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে মারা গেছেন।</p>



<p>প্রতিক্রিয়া</p>



<p>দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন নেতা মুহাম্মদ ইউনূস তার মৃত্যুতে &#8220;গভীর শোক&#8221; প্রকাশ করেছেন এবং তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন।&nbsp; ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন যে তিনি খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে &#8220;গভীরভাবে শোকাহত&#8221; এবং তার পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি &#8220;আন্তরিক সমবেদনা&#8221; জানিয়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং জিয়াকে &#8220;পাকিস্তানের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বন্ধু&#8221; হিসাবে বর্ণনা করেছেন। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।</p>



<p>পুরষ্কার এবং সম্মাননা</p>



<p>২৪শে মে ২০১১ তারিখে, নিউ জার্সি রাজ্য সিনেট জিয়াকে &#8220;গণতন্ত্রের যোদ্ধা&#8221; হিসেবে সম্মানিত করে। এটি ছিল প্রথমবারের মতো রাজ্য সিনেট কোনও বিদেশী নেতাকে এত সম্মানিত করেছিল এবং এটি রাজ্যের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রতিফলন ছিল দক্ষিণ এশিয়া থেকে আসা অভিবাসী এবং বংশধরদের।</p>



<p>পরবর্তীতে, ৩১ জুলাই ২০১৮ তারিখে, কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (CHRIO) নামে একটি সংস্থা তাকে &#8220;গণতন্ত্রের জননী&#8221; পুরস্কার প্রদান করে। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে, বিএনপি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে এই কানাডিয়ান সংগঠনের দেওয়া ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট প্রদান করে। সূত্র…উকিপিডিয়া</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2025/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6/">খালেদা খানম  পুতুল থেকে দেশমাতা</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://thebanglaexpress.com/2025/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চ্যানেল আই ‘সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় না:গঞ্জের টুশি</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2023/08/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Aug 2023 14:54:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[লিড-৩]]></category>
		<category><![CDATA[শহর]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=19685</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকম: বাবা আব্দুর রব তপাদার এবং মা শাহানাজ রবের ছোট সন্তান সাবরিনা নওশিন টুশি। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি আগ্রহ ছিল টুশির। আগ্রহ দেখে সাত বছর বয়সেই অভিজ্ঞ সংগীত গুরুদের কাছে সঙ্গীত শিখতে দেয় তার পরিবার। শুরুটা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দিয়ে হলেও রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিকসহ সব ধরণের সঙ্গীতেই পারদর্শী সে। নিজের প্রতিভায় সারাদেশের ৩৫ [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2023/08/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">চ্যানেল আই ‘সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় না:গঞ্জের টুশি</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p><strong><em>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকম:</em></strong> বাবা আব্দুর রব তপাদার এবং মা শাহানাজ রবের ছোট সন্তান সাবরিনা নওশিন টুশি। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি আগ্রহ ছিল টুশির। আগ্রহ দেখে সাত বছর বয়সেই অভিজ্ঞ সংগীত গুরুদের কাছে সঙ্গীত শিখতে দেয় তার পরিবার। </p>



<p>শুরুটা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দিয়ে হলেও রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিকসহ সব ধরণের সঙ্গীতেই পারদর্শী সে। নিজের প্রতিভায় সারাদেশের ৩৫ হাজার প্রতিযোগিকে পিছনে ফেলে চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ প্রতিযোগিতার সুপার রাইন্ডে নারায়ণগঞ্জের টুশি।</p>



<p>জানা যায়, টুশির বাবা এবং মা&nbsp; সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ।&nbsp; বিশেষ করে মা শাহানাজ রবের সংগীতের প্রতি অগাধ ভালবাসা থেকেই মূলত টুশির গানের যাত্রা শুরু হয়। স্থানীয় সঙ্গীত শিক্ষক মুজিবুল হায়দার সুজনের কাছেই টুশির সংগীতে হাতেখড়ি। পরবর্তীতে তালিম নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের সঙ্গীত শিক্ষক রুমা রানী ধরের কাছে।</p>



<p>বর্তমানে টুশি তালিম নিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার গুণী শিক্ষক এসএম সেলিম ও দেশের স্বনামধন্য গজল আটিস্ট শেখ জসিমের কাছে । বাবা ও মায়ের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় শিক্ষাঙ্গণে ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অর্জন করেছে একাধিক পুরষ্কার। টুশি&nbsp; জাতীয় পর্যায়ে ৩ বার স্বর্ণপদক বিজয়ী।</p>



<p>টুশি বলেন &#8220;আমার সংগীত জীবনে আরো একটি বিশাল জায়গা জুড়ে আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান সঙ্গীত প্রেমী বাবু চন্দন শীল। তিনি আমার সংগীত জীবনের একজন অভিভাবক। সঙ্গীতের দুনিয়ায় তিনি আমার একজন অনুপ্রেরণা। তিনি আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করেন এবং গান বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সংগীত জীবনে তিনি আমার একজন পথ প্রদর্শক। </p>



<p>তার পরিবারের সবাই সঙ্গীত প্রেমী জানিয়ে টুশি বলেন, আমাদের বাড়ির পরিবেশ একটু অন্য রকম। আমরা সবাই যখনই একত্রিত হই আমাদের মধ্যে গান নিয়েই আলোচনা হয়। আমরা সবাই একসাথে গান করতে পছন্দ করি।</p>



<p>মা শাহানাজ রব বলেন, সঙ্গীতের প্রতি প্রেম সব সময় ছিল। আমি পারিনি তবে চেয়েছি আমার মেয়ে গান শিখুক, গান করুক। টুশির মধ্যে সেই প্রতিভা আছে। সে সেরা কন্ঠ প্রতিযোগিতায় ভালো করছে, মা হিসেবে আমি তার জন্য গর্বিত। টুশি যেন একজন বড় শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি একজন বড় মনের মানুষ হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন।</p>



<p>সঙ্গীতকে পেশা হিসেবে নিয়ে প্লেব্যাক সিঙ্গার হতে চান টুশি। তিনি বলেন, সঙ্গীত নিয়েই জীবনে এগোতে চাই। প্লেব্যাক সিঙ্গার হতে চাই, হওয়ার স্বপ্ন দেখি। তবে সবরকম গান করতে চাই না। কখনো সুযোগ পেলে গানের মান, কথা বুঝেই কাজ করবো। চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ হচ্ছে আমার স্বপ্নের মঞ্চ। </p>



<p>উপমহাদেশের কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী শ্রদ্ধেও রুনা লায়লা ম্যাম,শ্রদ্ধেয় রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ম্যাম,শ্রদ্ধেয় সামিনা চৌধুরী ম্যাম সান্নিধ্য পাচ্ছি, তাদের সামনে গান করছি। এটা আমার জীবনের অনেক বড় পাওয়া।। এসব যেন স্বপ্নের মত। বর্তমানে সুপার রাইন্ডে আছি,সেরাকন্ঠে ভাল অবস্থান পাওয়ার লক্ষে সকলের শুভকামনা আশা করি।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2023/08/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">চ্যানেল আই ‘সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় না:গঞ্জের টুশি</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোতে আনতে পাঠাগারের বিকল্প নেই’</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2023/06/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Jun 2023 16:53:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শহরতলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=19258</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকম: ‘বই অনেকটা জানালার মতো৷ বই খুললে জানালা খুলে যায়৷ মনের জগৎ খুলে যায়৷ সমাজকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে আনতে পাঠাগারের বিকল্প নেই৷ এ সমাজকে সুন্দর করে গড়ে তোলার লক্ষে গ্রামে-মহল্লায় পাঠাগার প্রতিষ্ঠা জরুরি৷ পাঠাগারের শক্তি অনেক৷’ শুক্রবার (২ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় কল্যান্দি গ্রামে ‘সালমা বেগম স্মৃতি পাঠাগার’ এর [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2023/06/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b/">‘সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোতে আনতে পাঠাগারের বিকল্প নেই’</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p><strong><em>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকম:</em></strong> ‘বই অনেকটা জানালার মতো৷ বই খুললে জানালা খুলে যায়৷ মনের জগৎ খুলে যায়৷ সমাজকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে আনতে পাঠাগারের বিকল্প নেই৷ এ সমাজকে সুন্দর করে গড়ে তোলার লক্ষে গ্রামে-মহল্লায় পাঠাগার প্রতিষ্ঠা জরুরি৷ পাঠাগারের শক্তি অনেক৷’</p>



<p>শুক্রবার (২ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় কল্যান্দি গ্রামে ‘সালমা বেগম স্মৃতি পাঠাগার’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব কথা বলেন৷</p>



<p>পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন সালমা বেগমের চার সন্তান৷ তারা জানান, ২ জুন তাদের মায়ের জন্মদিন৷ মা সালমা বেগমের পাঠাগারের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ছিল৷ মায়ের জন্মদিনে তাঁর স্মরণে এ পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে৷ পাঠাগারটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে৷</p>



<p>স্থানীয় শিশু-কিশোরদের বই পড়ায় মনোযোগী করে তোলার লক্ষে এ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা৷ তাদের বাবা নুরুল ইসলামের নামেও সদর উপজেলায় একটি পাঠাগারের কার্যক্রম গত কয়েক বছর যাবৎ চলছে৷</p>



<p>বিকেলে বন্দরের কল্যান্দিতে সালমা বেগম স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন করেন তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান কলেজ শিক্ষক মোস্তফা সাইফুল ইসলাম।</p>



<p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন অপর তিন সন্তান নারায়ণগঞ্জ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কর কমিশনার মর্তুজা শরিফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদা মালা, সরকারি তোলারাম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. রওনক জাহান৷</p>



<p>আরও উপস্থিত ছিলেন ঘিওর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মশিউর রহমান, কদমরসুল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহাবউদ্দিন, পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার, কল্যান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিজিয়া জেসমিন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি আব্দুল হালিম,</p>



<p>গলাচিপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সাহা, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের কর্মকর্তা মহিমা আক্তার, নুরুল ইসলাম স্মৃতি পাঠাগারের গ্রন্থাগারিক মেহের হোসেন রাতুল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ’ এর সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম৷</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2023/06/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b/">‘সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোতে আনতে পাঠাগারের বিকল্প নেই’</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী থেকে সোনারগাঁয়ে লোকজ ও কারুশিল্প মেলা শুরু</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a7%a8%e0%a7%a8%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 14:55:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড-২]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=13303</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী লোকজ ও কারুশিল্প মেলা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। গত রোববার সাংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের এক সভায় এ সিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায় । এর ফলে গত ১৪ ই জানুয়ারীর নির্ধারিত তারিখ এক মাস পিছিয়ে আনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a7%a8%e0%a7%a8%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87/">আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী থেকে সোনারগাঁয়ে লোকজ ও কারুশিল্প মেলা শুরু</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p><strong><em>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ </em></strong>বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী লোকজ ও কারুশিল্প মেলা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।</p>



<p>গত রোববার সাংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের এক সভায় এ সিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায় ।</p>



<p>এর ফলে গত ১৪ ই জানুয়ারীর নির্ধারিত তারিখ এক মাস পিছিয়ে আনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে সাময়িক ভাবে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প মেলা স্থগিত করা হয়েছিল।কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ার কারণে ফের মেলা অনুষ্ঠিত হবে।</p>



<p>বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক রবিউল হোসাইন জানান,বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২২ জানুয়ারী তারিখে মাসব্যাপী লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় মেলা স্থগিত করা হয়েছিল। মেলা উপলক্ষে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার প্রস্তুতি শেষ করেও মেলা অনুষ্ঠিত করতে পারেনি। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ার কারণে আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার থেকে মাসব্যাপী লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a7%a8%e0%a7%a8%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87/">আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী থেকে সোনারগাঁয়ে লোকজ ও কারুশিল্প মেলা শুরু</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সোনারগাঁয়ে যুব মহিলা লীগের আয়োজনে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 14:46:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড-৪]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=13300</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে বসন্ত বরণ, পিঠা উৎসব ও পৌরসভার যুব মহিলা লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেল পৌরসভা কার্যালয় হলরুমে এ পিঠা উৎসব ও পৌরসভা যুব মহিলা লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/">সোনারগাঁয়ে যুব মহিলা লীগের আয়োজনে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p><strong><em>দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ</em></strong> নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে বসন্ত বরণ, পিঠা উৎসব ও পৌরসভার যুব মহিলা লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>



<p>সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেল পৌরসভা কার্যালয় হলরুমে এ পিঠা উৎসব ও পৌরসভা যুব মহিলা লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>



<p>বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক,সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নাসরিন সুলতানা ঝরার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসময় উপস্থিত ছিলেন,সোনারগাঁও উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর ইসলাম রুমা,পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজ্বী তৈয়ব আলী,৫ নং ওয়ার্ডের&nbsp; আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু হানিফ মোল্লা,পিরোজপুর ইউপির মহিলা সদস্য পলি আক্তার,</p>



<p>বৈদ্যোর বাজার ইউপির মহিলা সদস্য উর্মী আক্তার,পৌর যুবলীগের সভাপতি আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সোনারগাঁও উপজেলা শাখার আহবায়ক আলেয়া আক্তার,যুগ্ম আহবায়ক বিনু আক্তার,সন্ধা ইসলাম সুচনা,মৌসুমী আহমেদ, ফরিদা পারভীন শ্যামলী,ইসরাত জাহান অসতী।</p>



<p>এছারাও আরও উপস্থিতি ছিলেন,সদস্য শাহনাজ আক্তার পাপিয়া,সুলতানা রাজিয়া,খুকু মনি,হালিমা আক্তার,ঝর্না আক্তার,মৌসুমি চক্রবর্তী,মাহিনুর রবি,শাহীনা আক্তার,জাকিয়া সুলতানা,রাবেয়া সুলতানা উর্মী,নুসরাত জাহান,শাহনাজ রিয়াজ শানু,নিলা আক্তার,রুনা,স্মৃতি আক্তারসহ সকল সদস্য বৃন্দ।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2022/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/">সোনারগাঁয়ে যুব মহিলা লীগের আয়োজনে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী কামরানের শূন্যতা অপূরণীয়</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 16 Nov 2019 17:08:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=3656</guid>

					<description><![CDATA[<p>নগরীর ১৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মাহবুব কামরানের ৬২ তম জন্ম বার্ষিকী আজ। শনিবার (১৬ নভেম্বর) পারিবারিক ভাবে তার জন্মদিন উপলক্ষে রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। প্রয়াত মাহবুব কামরান একইধারায় চিত্রশিল্পী, কবি, নাট্য ও চলচ্চিত্র নিমা্র্তা, প্রগতিশীল সংগঠক ছাপ এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মাহবুব কামরান ২০১১ সালের ২২ জুলাই পৃথিবীর মায়া [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95/">বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী কামরানের শূন্যতা অপূরণীয়</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p>নগরীর
১৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী
মাহবুব কামরানের ৬২ তম জন্ম
বার্ষিকী আজ। শনিবার (১৬ নভেম্বর) পারিবারিক ভাবে তার জন্মদিন উপলক্ষে রুহের মাগফেরাত
কামনায় দোয়া করা হয়।</p>



<p></p>



<p></p>



<p>প্রয়াত মাহবুব কামরান একইধারায় চিত্রশিল্পী, কবি, নাট্য ও চলচ্চিত্র নিমা্র্তা, প্রগতিশীল সংগঠক ছাপ এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী </p>



<p></p>



<p>মাহবুব কামরান ২০১১ সালের ২২ জুলাই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি দু’ছেলে কাহলিল জিবরান, কাহলিল ইরাবান দীপ্ত ও স্ত্রী রেখে যান। তার শূন্যতা হয় অপূরণীয়।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95/">বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী কামরানের শূন্যতা অপূরণীয়</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সংসার জীবনে এক নারীর গল্প</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2019/10/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Oct 2019 14:36:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=2947</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#8220;আজও আমি খুজি,,,কোথায তুমি??&#8221; কেন তুমি হারিযে গেলে, আমার অক্ষত পৃথিবী থেকে। আজ বহু বছর পরেও জীবনের শেষ প্রান্তর দাড়িযে,, আমি শুধু তোমকেই খুজি। যদি একবার তোমাকে দেখতে পেতাম। একবার তোমার চরণ স্পশ করতে পারতাম। নিজের ভুলটা তোমার কাছে স্বীকার করতাম। আর বলতাম,,,সেদিন আমি তোমাকে অফুরন্ত ভালোবেসে ছিলাম। যখন আমার আপনজনেরা আমাকে আগলে রাখেনি আমার [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/10/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">সংসার জীবনে এক নারীর গল্প</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p>&#8220;আজও আমি
খুজি,,,কোথায তুমি??&#8221; কেন তুমি
হারিযে
গেলে,
আমার
অক্ষত
পৃথিবী
থেকে। </p>



<p>আজ
বহু
বছর
পরেও
জীবনের
শেষ
প্রান্তর দাড়িযে,,
আমি
শুধু
তোমকেই
খুজি। যদি
একবার
তোমাকে
দেখতে
পেতাম।
একবার
তোমার
চরণ
স্পশ
করতে
পারতাম। নিজের
ভুলটা
তোমার
কাছে
স্বীকার করতাম।
আর
বলতাম,,,সেদিন আমি তোমাকে
অফুরন্ত ভালোবেসে ছিলাম। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>যখন আমার আপনজনেরা আমাকে আগলে রাখেনি আমার কষ্টে,,,তুমি বন্ধু,, হ্যা,আমার জীবনের একটা বড় অংশ জুরে রযেছে। আজ,,,সে তুমি আমাকে ফোনের ঐপাশ থেকে,,, শক্তি, সাহস, আর অভয দিতে,,,বলতে, অরুনিমা তুমি পারবে,,,তোমার সব আত্নমযাদা ফিরিযে আনতে,,,তুমি পারবে,নিজের একটা নিজস্ব জগৎ তৈরি করতে। যেখানে সব তোমার হবে, শুধু তোমার,,,কেউ পারবে না তোমাকে তোমার জাযগা থেকে ফেরাতে। অরুনিমা, শুধু কেদেই চলতো, আর বলতো,, জানো অনব, আমি পারবো না নিজের জন্য লড়াই করতে,পারবো না,,পরিবারেরর সাথে ছলনা করতে,আমি যেমন আছি তেমনটাই থাকবো। তুমি আমাকে নতুন আলোর পথ দেখাবে না। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>গল্পের শুরুতে দুই লাইন কবিতা বা কথা যাই পড়লেন এটা লেখার পিছনে কিছু কারন তো অবশ্যই আছে। আর সেটা বুঝতে হলে কিছুটা অপেক্ষা তো করতেই হবে। এটা আমার জীবনের কিছুটা অংশ আমার পাঠক সমাজের জন্য তুলে ধরেছি। জানি আমি লিখতে পারি না তবুও চেষ্টা করেছি নিজের দুঃখ গুলো আপনাদের সাথে ভাগ করার। তবে আমার ভুলগুলো অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনাদের উৎসাহই আমাকে লিখতে সহযোগীতা করবে।</p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>আজকাল নতুন আলোকে বড় বেশি ভয হয,,,মনে হয চোখটা আমার জ্বলে যাবে, আর অণব,বলতে তুমি চারপাশটা দেখ অরুনিমা, কত সুন্দর? সব কিছু তোমার জন্য অপেক্ষায় আছে। তোমার কাছে ধরা দিবে বলে,,,অরুনিমা কিছুই বুঝতে চায় না। শুধু হতাশা আর ব্যথিতা কুড়ে কুড়ে খায, তার সংসার জীবনকে। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>অরুনিমার খুব ছোট বেলায বিয়ে হযে যায়, যখন তার ভালোবাসা কথা। ফুলপাখি নিযে ভাববার কথা ঠিক তখনই তার বিযে,১৮বছরের কিশোরীর জীবনে ১২বছরের পার্থ্যক এক যুবক । কি করবে অরুনিমা পরিবারে কথা অমান্য করলে সব জারাতে হবে,বাধ্য হযে বিযের পিড়িতে বসা, বিয়ে হযে গেল,অরুনিমার, বন্ধুরা যার খুব প্রিয় ছিল,,,আজ তাদের কে ছাড়তে হলো চিরতরে,,। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>লেখাপড়া,নিজের নিজস্ব ইচ্ছা,,,আত্নমযাদা, বাবা মা,ভাই বোন, সব ছেড়ে অরুনিমা হযে গেলো একদম সংসারি। কিন্ত তার স্বামীর পরিবার ছিল খুবই জটিল, শ্বাশুরি,ননদের কারনে একটা প্রানী পযর্ন্ত বাসায আসতে পারতো না, অরুনিমা কি ভাবে চলবে,?কিন্ত কি আর করার,সব মেনে নিল,সে,তার কোনো কাজের বিঘ্ন ঘটলে তাকে সবাই কথা শুনাতো,,,খোটা দিতে চিৎকার চেঁচামেচি তে পুরোটাবাড়ি কাপতে,আর বেচারি অরুনিমা ভযে সারাটাদিন থাকতো না জানি কি হয,।</p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>এক সময অরু কন্যা সন্তানের মা হয,তাতে কেউখুশি নয,অরুর পরিবারে সবাই কথা শুনাতো কেন কন্যা সন্তান হলো। স্বামীকে তার কোনো দিনই কাছে পেতো না,,, শুধু স্বামীর প্রয়োজন ছাড়া,। কোনো গল্প করতে পারতো না,নিজের শখ আহ্লাদ পুরন করতে পারতো না, স্বামীও তার পবিবারে পক্ষে থাকতো আর অরুনিমাকে দোষ দিতো। কি আর করবে অরু মুখ বুজে সব সহ্য করতো।আর চোখের পানি ফেলতো। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>অরু তার মেযে অবনিতাকে নিযে খুব কষ্টে জীবন যাপন করতে থাকে শ্বশুড় বাড়িতে, সবার জন্য মজার মজার খাবারের নানা আযোজন করতো। সবাইকে বেড়ে খাওযাতো, অরু আর অবনিতা যখন সবার খাওযা শেষ হলে খেতে বসতো প্রাযই খাবার থাকতো না হাড়িতে। আর ছোট ৩/৪বছরের অবনি খুব কাঁদতা,, পেটের ক্ষুধাতে। আর অরুর চোখের পানি ছাড়া আর কিছুই ফেলতো না। </p>



<p>দেখতে
দেখতে
৮বছর
পার
করলো
নিজের
সংসার
জীবনে,গর্ভে আসল সন্তান, শ্বশুড় বাড়িতে
তখন
দ্বায়িত্ব না
অত্যাচারে পরিমান
বেড়ে
গেল,
কিছুই
করতে
পারিনি
অরু,মুখ বুজে সব
সহ্য
করতো,লাইট,ফ্যান,সব
সময
অরুর
জন্য
বন্ধ
ছিল,টিভি দেখা,কারো
সাথে
গল্প
করা
সব
বন্ধ
ছিলো। অরুর
জীবন
ছিল
বিভীসিকাময়। সারাদিন শুধু
খেটই
যাও। অরুর
মা
বাবা
ছিল
খুব
সহজ
সরল। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>মেযেকে বিয়ে দিতে পারলে যেন দ্বায় মুক্ত। কোনো কথা বলতে পারতো না। বললে,বলতো সব দোষ তোমার। হযতো অরু ভাগ্য ভেবে সব মেনে নিল। হঠাৎ একদিন অরু গভের দ্বিতীয় সন্তান টা সময়ের আগে পৃথিবীতে চলে আসে। কিন্তু কি ভাগ্য এতটুকু শিশুটা অরুনিমা গর্ভে অনাদর আর অবহেলায, অত্যাচারে হঠাৎ করে আসে পৃথিবীতে। ভূমিষ্ট হওযার পর শিশুটির অবস্হা খুব শোচনীয ছিল। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>অরু জানতো তার সন্তানটি বাঁচবে না। কেউ ছিল না অরুনিমার পাশে, স্বামী তো টাকা দিযেছে ঠিকই।কিন্ত কন্যা সন্তান আবারো হওয়াতে তার সন্তানটি প্রতি খুব ঘৃনা সৃষ্টি হয,,,,তাকে সব সময গজব বলে উপাধি দেয়। একা অরুনিমার হাসপাতালে লড়াই করেন সন্তানকে বাঁচানো জন্য, নিজের রক্ত পযন্ত দিযে ছিল,কিন্তু ভাগ্যের নিমম পরিহাস সন্তান টা না ফেরার দেশে চলে গেল, সসন্তানের পিতা একবারো দেখতে এলো না,তার নিজের সন্তানকে, সবাই অরুকে আর তার মৃত সন্তানকে দোষ দিলো। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>অরুনিমা পিতামাতা অরুনিমার সন্তানকে দাফন করল, সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করে আবার অরুনিমার স্বামীর সংসার করতে লাগলো, অত্যাচার আরো বেড়ে গেল।কিছুই করার ছিল না অরুনিমার। আবার গর্ভে সন্তান আসলো, অনেক কষ্ট,অত্যাচার সহ্য করে অবশেষে অরুনিমার পুত্র সন্তান হলো। আস্তে আস্তে অরুনিমার ভয় ভেঙ্গে গেল। জেদ চাপলো এটা তার সংসার তাকে কেউ বের করতে পারবে না। তার অধিকার তাকে আদায় করতে হবে। অবশেষে অরুনিমার জয় হলো সবাই তাকে আজ ভয় পায়। সমাজ তাকে সাপোর্ট করে। এভাবে কেটে যায কিছু কাল। তারপর আজ কেন এতোটা বছর পরে ও তার মধ্যে এতো কষ্ট হাহা কার??????</p>



<p><a href="https://www.facebook.com/saima.tarek.7"></a></p>



<p><a href="https://www.facebook.com/saima.tarek.7">&nbsp;</a></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>আসলে অরুনিমার স্বামী আজও অরুনিমাকে ভালোবাসতে পারিনি,,,তার ছোট ছোট শখ,, আহ্লাদ পুরন করতে পারিনি। দেখতে দেখতে ১৯টি বসন্ত পার হযে গেল। অরুনিমা আরেকটা ছোট কন্যা সন্তানের জন্ম হলো,দুই মেযে একছেলে।সংসারের সব আছে শুধু স্বামীর ভালোবাসা আর স্ত্রীর অধিকার নেই। এখন অরুনিমা ক্লান্ত হযে কাউকে খোজে,,, কিছু কথা বলে হালকা হতে, সুখ দুখের আলাপ করতে,,একজন বন্ধুর প্রয়োজন তার। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>হঠাৎ করে একজনের আগমন তার জীবনে, তাকে তার জীবনের সব কথা বলে, সে সাপোট করে, বলে অরুনিমা তুমি আগে নিজেকে ভালোবাসো,, দেখবে চারপাশটা খুব সুন্দর নিজের জন্যে কিছু কর,,দেখবে তুমি পারবে,,আজ অরুনিমা লিখছে নিজের কথা তার জীবনের কথা, সমাজের কথা।এক সময তার লেখা প্রচুর সারাপেল,অনেক সুনাম অর্জন করলো, সে তার ফোনের ঐপাশের বন্ধুকে জানাবে,, তার এই দিনের জন্য তার বন্ধুর অবদানের কথা, তাকে মনের অজান্তে ভালোবাসার কথা,,,সব বলবে সে স্বামী, সন্তানেরা আজ অরুনিমাকে নিযে গর্ভ করছে। একমাত্র ফোনের ঐপাশের বন্ধুর জন্য। অরুনিমা সংসার ভাঙ্গেনি। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>তারপরেও সে আজ স্বাধীন,,, শুধু মাএ সেই অদেখা।বন্ধুর জন্য,,তাকে আজ দেখতে খুব ইচ্ছে করছে,,ফোন দিল অরু ফোন বন্ধ একদিন, দুদিন,তিনদিন,এভাবে দেখতে দেখতে কেটে গেল ১০টি বছর,আজ অরু নাম করা স্বনামধন্য লেখিকা। কত নাম ডাক তার,গৃহিণী থেকে একজন প্রতিবাদি লেখিকা। তার পরেও আজ সে একা। চোখ ভিজে যায বন্ধুর জন্য,,,খুব কাদছে কেদেই যাচ্ছে,,,,আর মনে মনে বলছে,&#8221;আজও আমি খুজি,কোথায তুমি, অদেখা&#8221;&#8230;&#8230;।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/10/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">সংসার জীবনে এক নারীর গল্প</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সঞ্চিত শূন্যতা : কাজী আনিসুল হক</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2019/09/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Sep 2019 16:27:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=1880</guid>

					<description><![CDATA[<p>শূন্য থেকে শুরু অঙ্ক গর্ভ থেকে জীবন। সময় সাক্ষী বেড়েওঠা বৃত্তে বন্দি মরণ। দিন আলো সূর্য একা নিশি আঁধার চাঁদ। সবকিছু মন্দ-ভালো মাঁয়া মানে-ই ফাঁদ। স্বপ্ন দেখা শিশুসম মিথ্যা বাঁধন আঁকা। প্রেম খুঁজে ক্লান্ত দেহ পূজার ঢালা ফাঁকা।</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/09/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8/">সঞ্চিত শূন্যতা : কাজী আনিসুল হক</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p>শূন্য
থেকে
শুরু
অঙ্ক
গর্ভ
থেকে
জীবন। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>সময় সাক্ষী বেড়েওঠা বৃত্তে বন্দি মরণ। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>দিন আলো সূর্য একা নিশি আঁধার চাঁদ। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>সবকিছু মন্দ-ভালো মাঁয়া মানে-ই ফাঁদ। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>স্বপ্ন দেখা শিশুসম মিথ্যা বাঁধন আঁকা। </p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p>প্রেম খুঁজে ক্লান্ত দেহ পূজার ঢালা ফাঁকা।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/09/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8/">সঞ্চিত শূন্যতা : কাজী আনিসুল হক</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কয়েক শতাব্দি চাঁদ ছিল মানুষের কাছে কিংবদন্তি</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Jul 2019 12:28:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=700</guid>

					<description><![CDATA[<p>কয়েক সহস্রাব্দ ধরে চাঁদ ছিল মানুষের কাছে কিংবদন্তি। মানুষ বিশ্বাস করত যে চাঁদ আমাদের আচরণ, মনের অবস্থা এমনকি ভাগ্যও নিয়ন্ত্রণ করে। এসব ধারণা মানুষের নানা সৃষ্টিশীল কাজেও প্রকাশিত হয়েছে; শিল্প-সাহিত্যে তাই চাঁদের উপস্থিতি হরহামেশাই দেখা যায় আমরা কখনই চাঁদের কাছাকাছি ছিলাম না। তার পরও ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথমবারের মতো চাঁদের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছিল। [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/">কয়েক শতাব্দি চাঁদ ছিল মানুষের কাছে কিংবদন্তি</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p>কয়েক সহস্রাব্দ ধরে চাঁদ ছিল মানুষের কাছে কিংবদন্তি। মানুষ বিশ্বাস করত
 যে চাঁদ আমাদের আচরণ, মনের অবস্থা এমনকি ভাগ্যও নিয়ন্ত্রণ করে। এসব ধারণা 
মানুষের নানা সৃষ্টিশীল কাজেও প্রকাশিত হয়েছে; শিল্প-সাহিত্যে তাই চাঁদের 
উপস্থিতি হরহামেশাই দেখা যায়</p>



<p>আমরা কখনই চাঁদের কাছাকাছি ছিলাম না। তার পরও ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন 
প্রথমবারের মতো চাঁদের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছিল। এর আগে চাঁদের বাস্তবতা 
নিয়ে মানুষের কোনো সম্যক ধারণা ছিল না। ১৯৬৯ সালে মানুষ চাঁদের বুকে পা 
রাখে। অজানা দুনিয়ার মানুষের কাছে চাঁদ চেনা হয়ে যায়। তবে এখনো অনেক চেনার 
বাকি আছে।</p>



<p>কয়েক সহস্রাব্দ ধরে চাঁদ ছিল মানুষের কিংবদন্তি। এসব অনুসারে মানুষ 
বিশ্বাস করত যে চাঁদ আমাদের আচরণ, মনের অবস্থা এমনকি ভাগ্যও নিয়ন্ত্রণ করে।
 এসব ধারণা মানুষের নানা সৃষ্টিশীল কাজেও প্রকাশিত হয়েছে; শিল্প-সাহিত্যে 
চাঁদের উপস্থিতি হরহামেশাই দেখা যায়।</p>



<p>ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার শিল্প ঐতিহাসিক ডেভিড বার্ডিন বলেন, 
‘টেলিস্কোপ আবিষ্কারের আগে শিল্পী ও অপেশাদার মহাকাশ গবেষকরা চাঁদের দিকে 
তাকিয়ে একে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেন। এবং এসব ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট সময়ের 
ধর্মীয় ও দার্শনিক ধারণার সঙ্গে মেলানো হতো।’ তার মতে, শিল্প চেষ্টা করে 
কোনো একটি কালপর্বে মানুষের মনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে। চাঁদকে 
চিত্রিত করার সবচেয়ে পুরনো যে নিদর্শনটি পাওয়া যায়, সেটা ব্রোঞ্জ যুগের। 
এটি একটি দ্বিমাত্রিক ভাস্কর্য। স্বর্ণ ও আরো কিছু ধাতু দিয়ে তৈরি এ 
ভাস্কর্য ‘নেবরা স্কাই ডিস্ক’ নামে পরিচিত। জার্মানিতে যেখানে এটি পাওয়া 
গেছে, সে স্থানের নামের সঙ্গে মিল রেখেই এমন নামকরণ। এটি তৈরি হয়েছিল 
খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে পুরনো নকশাগুলোর একটি এ
 ডিস্ক। শিল্প ঐতিহাসিকদের মতে, নেবরা স্কাই ডিস্ক সম্ভবত একটি 
জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণাসংক্রান্ত কোনো উপকরণ। এটা থেকে ব্রোঞ্জ যুগে মানুষ 
কীভাবে আকাশকে পর্যবেক্ষণ করত, সে সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়।</p>



<p>এর বহু শতক পরে পুবের দুনিয়ায় দেখা যায় অর্ধচন্দ্র। স্টেল অব নাবোনিডাস 
নামের এ ভাস্কর্যে দেখা যায় অর্ধেক চাঁদ। প্রাচীন ব্যাবিলনে রাজা নাবোনিডাস
 চাঁদের দেবতা সিনকে পূজা করতেন। আর সেই সিনের প্রতীক ছিল অর্ধচন্দ্র। এ 
নিদর্শন খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দের। সেটা ছিল শেষ নিউ-ব্যাবিলনিয়ান যুগ। এ 
যুগে চাঁদের পূজা ছিল সাধারণ চর্চা। এসব পুরনো নিদর্শনে চাঁদকে কোনো দেবীর 
ধারণার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। কিন্তু প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদ 
বিষয়ে মানুষের ধারণা এবং চাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক বদলাতে শুরু করে।</p>



<p>১৬০৯ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি তুসকানির পাহাড় থেকে তার নতুন টেলিস্কোপ 
দিয়ে চাঁদ পর্যবেক্ষণ করেন। এতদিন খালি চোখে দেখা সরল বস্তুটিই কেমন করে এক
 নিমেষে জটিল হয়ে উঠল। রং-তুলি নিয়ে কয়েক মাসের চেষ্টায় টেলিস্কোপে দেখা 
চাঁদের চেহারা গ্যালিলিও এঁকে ফেলেন। এরপর তিনি তার ড্রইংগুলো সিডেরিয়াস 
নানসিয়াস নামের জার্নালে প্রকাশ করেন। এ কাজে ফ্লোরেন্সের মেডেসি পরিবার 
তাকে সাহায্য করেছিল। গ্যালিলিওর আঁকা ছবিতে দেখা গেল চাঁদের বুকে দুনিয়ার 
মতোই উপত্যকা, আগ্নেয়মুখ আছে।</p>



<p>গ্যালিলিওর আবিষ্কারের পরও শিল্পীদের মন থেকে চাঁদের সমতল, নিখুঁত 
চেহারাটি মুছে যায়নি। লন্ডনের ন্যাশনাল গ্যালারির গবেষণা পরিচালক ক্যারোলিন
 ক্যাম্পবেল বলেন, ‘শিল্পীরা চাঁদকে প্রতীকীরূপে ব্যবহার করেছেন। তবে যে 
চেহারায় তারা চাঁদকে এঁকেছেন, তার সঙ্গে বিজ্ঞানের আবিষ্কারের খুব বেশি 
সম্পর্ক নেই। অজানা কিছুকে উপস্থাপন করতে চাঁদ ছিল একটি শক্তিশালী মাধ্যম।’</p>



<p>গ্যালিলিওর ৩০০ বছর পর জাপানি কাঠের ব্লক শিল্পী তাইসো ইয়োশিতোশি 
‘চাঁদের ১০০ রূপ’ শিরোনামে একটি সিরিজ তৈরি করেন। তাইসো এ সিরিজের মাধ্যমে 
চাঁদকে নিয়ে চীনা ও জাপানি পুরাণগুলো তুলে ধরেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাতটি
 ছিল কাসিয়া ট্রি মুন। এতে হান রাজত্বের রাজা উ গ্যাংকে তুলে ধরা হয়েছিল। 
ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য উ গ্যাংয়ের সাজা হয়েছিল চাঁদের জন্মানো কাসিয়া 
গাছ কাটার। এ গাছ কাটলেই নতুন করে গজিয়ে যেত, তাই রাজাকে সারাক্ষণ গাছ 
কাটতে হতো।</p>



<p>পশ্চিমা দুনিয়ায় চাঁদের কল্পনার শৈল্পিক উপস্থাপনা চূড়ান্ত রূপ পায় উনিশ
 শতকে। ১৮৮৯ সালে অ্যাসাইলামে থাকাকালে ভিনসেন্ট ভ্যান গখ তার বিছানার 
পাশের জানালা থেকে চাঁদ দেখতেন। তার ‘স্টারি নাইট’ ছবিতে এ চাঁদ অমর হয়ে 
আছে। ছবিটি রাতের চাঁদকে কোনো রকম পুরাণ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের আশ্রয় না করে 
প্রকাশ করা হয়েছে এবং ছবিটি এ রকম নিদর্শনের অন্যতম একটি।</p>



<p>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত জুল ভার্নের ‘ফ্রম দি আর্থ টু দ্য মুন’ বইয়ের 
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছিলেন অঁরি দে মঁতে। এতে দেখা যায় একটা বিরাট আকার 
রকেট চাঁদের দিকে উড়ে যাচ্ছে। জুল ভার্নের এ বইয়ের মাধ্যমে চাঁদ প্রতীকী 
কিংবা বৈজ্ঞানিক পরিচয়ের বাইরে নতুন একটি পরিচয় পায়। চাঁদ এবার হয়ে উঠল 
মানুষের গন্তব্য। জুল ভার্নের বইটি প্রকাশের প্রায় শত বছর এবং নেবরা স্কাই 
ডিস্ক তৈরির প্রায় চার হাজার বছর পরে নিল আর্মস্ট্রং চাঁদের মাটিতে মানুষের
 পদচিহ্ন এঁকে দেন। সারা দুনিয়ার মানুষ সেই ভিডিও দেখেছেন। কয়েক হাজার বছর 
ধরে মানুষ যে চাঁদকে নিয়ে কল্পনা করেছে, প্রতীক-দেবী হিসেবে জেনেছে, এবার 
তার বুকেই দাঁড়িয়ে আছে মানুষ। চাঁদ অর্থহীন কোনো প্রতীক নয় বরং মানুষের 
সামষ্টিক ইতিহাস ও স্মৃতির অংশ।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/">কয়েক শতাব্দি চাঁদ ছিল মানুষের কাছে কিংবদন্তি</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মধ্যরাতের ছায়ামানব</title>
		<link>https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[The Bangla Express]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 07 Jul 2019 14:54:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://thebanglaexpress.com/?p=494</guid>

					<description><![CDATA[<p>পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়ার পর গ্রামের এক প্রসিদ্ধ হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলাম। সেটা ছিল ঠিক বাজারের মধ্যখানে। দোতলায় ওঠার একমাত্র সিঁড়িটা ছিল পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে বাঁকানো লোহার রেলিং এবং কাঠের পাটাতনের। আমাদের সঙ্গের একটি ছেলে প্রতিদিন নিয়ম করে দুপুরবেলা খাওয়ার আগে বা পরে ওই সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামার সময় পড়ে পায়ে ব্যথা পেত আর ওপরে [&#8230;]</p>
The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac/">মধ্যরাতের ছায়ামানব</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>
<p>পঞ্চম
শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়ার
পর গ্রামের এক প্রসিদ্ধ হাফেজিয়া
মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলাম।
সেটা ছিল ঠিক বাজারের
মধ্যখানে। দোতলায়
ওঠার একমাত্র সিঁড়িটা ছিল পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি
কোণে বাঁকানো লোহার রেলিং এবং
কাঠের পাটাতনের। আমাদের
সঙ্গের একটি ছেলে প্রতিদিন
নিয়ম করে দুপুরবেলা খাওয়ার
আগে বা পরে ওই
সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামার সময়
পড়ে পায়ে ব্যথা পেত
আর ওপরে সিঁড়ির মুখে
বসে বসে কাঁদত।
মাঝেমধ্যে দোতলার পশ্চিম দিকের
বারান্দা লাগোয়া সানশেডে বসেও
পা ঝুলিয়ে কিছু সময়
আকুল হয়ে কান্না করত।</p>



<p>এমন অনেক
কারণে, কিছুদিনের মধ্যে তার আচরণে
অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পেতে থাকে।
এমনই সময় একদিন মধ্যরাতে
আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে
তুলেছিল। প্রায় দেড় যুগ
আগের ঘটনা, তখন ঘড়ি-মোবাইলের অতটা চল ছিল
না, তাই সঠিক সময়
বলতে পারব না। তবে
রাত ২টা-৩টার কম
নয়। আমাকে ডেকে ও
বলল, ‘ভাই, মা আইছে।
মায়ের লগে দেখা করমু।’
বলেই সে বাচ্চাদের মতো
খটখট করে হাসতে লাগল।
বয়সে আমরা সমসাময়িক হলেও
পড়াশোনায় বড় বলে আমাকে
সে ভাই ডাকত।</p>



<p>



মধ্যরাতে তার এ রকম পাগলামি
দেখে রাগ হলো। ধমক
দিয়ে বললাম, ‘মায়ে আইছে বইলা
এ রকমভাবে হাসার কী হলো!’</p>



<p>আমার কথায়
ওর মধ্যে কোনো বিকার
নেই, আগের মতোই হেসে
বলল, ‘চলেন তাড়াতাড়ি, মা
আবার চলে যাবে, চলেন
ভাই, চলেন&#8230;’।</p>



<p>এখানে বলে
রাখা প্রয়োজন, ওর বাবা-মায়ের
ছাড়াছাড়ি হয়েছিল তার শৈশবের
সময়। তার বাবা নতুন
বিয়ে করে আগের ঘরের
ও নতুন পক্ষের ছেলেমেয়েদের
নিয়ে মিলেমিশেই থাকত। তাদের মা
রাতে গোপনে এসে দেখা
করে আবার বাপের বাড়ি
চলে যেত।</p>



<p>এ রকমভাবে
তার মা দেখা করতে
এল কি না, সেটা
ভেবে দরজা খুলে ঘুমের
ঘোরে একা একাই তার
সঙ্গে বারান্দায় গেলাম। নিস্তব্ধ রাত।
সে শুধু ওই সানশেডের
দিকে যাচ্ছিল। নিচের লাগোয়া ঘরটা
ছিল ধানের গুদাম, তার
পেছনে একটা মধ্যম সাইজের
আমগাছ। সে আমগাছটা দেখিয়ে
বলতে লাগল, ওই যে
আমার ‘মা’।</p>



<p>তখনই আমার
ঘুমের ঘোর কাটে। একসময়
সে দুহাত ওপরের দিক
দিয়ে উড়াল দেওয়ার ভঙ্গি
করে নিচে লাফ দিতে
চায়। উড়াল দেওয়ার চেষ্টা
এর আগেও একবার করেছিল।
কোনো দিকে না তাকিয়ে
তার এক হাত ধরে
আরেকজনের সহযোগিতায় ভেতরে আনলাম। অন্য
ছেলেদের জাগিয়ে তুলে শুইয়ে
দিয়ে ওর মাথায় পানি
দিতে বললাম তাদের।</p>



<p>ওই যে
বললাম, অন্যের সহযোগিতায় তাকে
ভেতরে আনলাম, কিন্তু দরজা
বন্ধ করার পর মনে
হলো, আরে, সে তো
আসেনি। সে আমার চেয়ে
গায়ে-গতরে অনেক বড়,
তাকে কিছুতেই আমার পক্ষে একা
টেনে আনা সম্ভব ছিল
না। তাই আবারও একা
গেলাম বারান্দায়। ওই তো সাদা
জামা পরা ব্যক্তিই আমাকে
সাহায্য করেছিল। লোকটাকে আগেও কোথায় দেখেছি
বলে মনে হলো, তবে
পুরোপুরি স্মরণ করতে পারছিলাম
না। প্রায় সানশেডের কাছাকাছি
দাঁড়িয়ে তিনি। চাঁদের আলো
এবং পেছনের সাদা চুনকাম
করা দেয়ালের সঙ্গে তার লম্বা
জামাটা চকচক করছিল&#8230;।
বললাম, আসুন না ভেতরে।
উনি কিছু না বলে
হেসে একটু পিছিয়ে গেলেন।
ঠিক তখনই আমার কেমন
যেন ভয় লাগতে শুরু
করল; শীতল এক শিহরণ
শিরদাঁড়া বেয়ে নিচে নেমে
গেল।</p>



<p>কিছুক্ষণ পর
মনে হলো, সাদা দেয়াল
ছাড়া সামনে কেউ নেই।
পরের ঘটনা আর কিছু
মনে নেই। এরপর অনেক
দিন রাতে একা একা
ঘুমাতে পারতাম না। মনে
হতো, কেউ যেন পাশ
থেকে আমাকে নিয়ে যাচ্ছে।</p>The post <a href="https://thebanglaexpress.com/2019/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac/">মধ্যরাতের ছায়ামানব</a> appeared first on <a href="https://thebanglaexpress.com">The Bangla Express</a>.]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
