দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম রাজীব জাতীয়তাবাদীর রাজনীতি করলেও মূলত সে আওয়ামী পরিবারের সন্তান।
তার বাবা তারা মিয়া স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে মাদারীপুর জেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বড় বোন ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছাত্রজনতার উপর লাঠি হাতে হামলার করার ছবিই কথা বলছে।
৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পর মেসে থাকা রাজীব তার পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়ে নগরীর জামতলা এলাকায় একটি বিশাল ফ্লাট ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। অথচ ৫ আগষ্টের আগেও সে মেসে ছিলো ছাত্রদের সাথে যৌথ রুমে।
নিজের খরচ যোগাতে হিমশীম খেতো। কিন্তু ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পর দখল ও চাঁদাবাজীতে নিজের আখের গুছাতে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে।
ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ও স্থানীয় মিডিয়াতে সেই বিষয় বেশ র্চচা দেখা যাচ্ছে। কিনেছেন একাধিক বাইক, ফ্লাট বাসায় মেয়েদের নিয়ে দেহ ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
শুধু তাই নয় শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করে রেখেছেন নিজের আয়ত্বে।
চাষাড়া মহিলা কলেজ থেকে শুরু করে ঈদ গাঁহ মাঠ পযর্ন্ত রাতে যত ছিনতাই হয় সব চলে তার নিয়ন্ত্রনে। ৫ আগষ্টের পর ছাত্রলীগের এক কর্মীর সাথে টাকা ভাগাভাগি করা নিয়ে হত্যা করা হয়েছিলো সেই কর্মীকে। পরে সেই ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাত্রদলের কর্মী বানিয়ে তারেক জিয়ার সাথে কথা বলায় আহতের পরিবারের সাথে।
সাম্প্রতিক এক ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সারা ফেলেছে। যেখানে দেখা যায় যুবলীগ নেতার লীজ কৃত জায়গা দখল করে ভাড়া আদায়ের জন্য মহিলাদের সাথে অসভ্য আচরন করতে দেখা যায় তার সমর্থিত ছাত্র নেতা হোসিয়ারী কর্মী সদর থানা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক অনিক সহ অনেককেই।
শুধু তাই নয় তার সমর্থিত তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্র দলের সভাপতি জিয়াকে দিয়ে বিকেএমই এর সভাপতি হাতেমকে কলেজের একটি অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হয়। অথচ এই হাতেমের মত ব্যবসায়িদের কারনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল থাকে।
তাদের অবদানে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশ সম্মানের সহিত দাড়িয়ে আছে। একজন ব্যবসায়িকে এই ভাবে লাঞ্চিত করে পরের দিন আবার ক্ষমা চাওয়ার মত নাটকও করছে নারায়ণগঞ্জে এই বহিরাগত নেতারা।
অথচ সেই রাজীব এখন মহানগর ছাত্র দলের গুরুত্বপুর্ন পদে আসিন হবে বলে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
বর্তমান ছাত্র দলের রাজনীতি যাচ্ছে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হাতে যা নারায়ণগঞ্জের মত একটি শিল্প এলাকাকে ধ্বংসের ধারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।