প্রচ্ছদ জাতীয় বিচারের বাণী আলো-আঁধারে নিভৃতে কাঁদছে: রিজভী আহমেদ

বিচারের বাণী আলো-আঁধারে নিভৃতে কাঁদছে: রিজভী আহমেদ

দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গত বুধবার ১৯৯৪ সালে পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা) ট্রেনবহরে হামলার সম্পূর্ণ বানোয়াট ও প্রহসনের সাজানো মামলায় বিএনপির ৯ জনের ফাঁসি, ২৬ জনের যাবজ্জীবন দিয়েছে একটি আদালত।

যে ঘটনায় কেউ হতাহত হয়না সেই মামলায় ফাঁসি হওয়ার কোন আইন পৃথিবীতে আছে কিনা আমাদের জানা নেই। এই ধরণের রায় পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন হয়ে থাকবে। ২৪ বছর আগে পরিকল্পিতভাবে শুধু তামাশা করার জন্য নিজ দলীয় লোকদের দিয়েই ট্রেনের কাছে ফাঁকা গুলির ঘটনায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের গণফাঁসির রায় প্রমাণ করে দেশ এখন দু:শাসনের কালো রাতে আচ্ছন্ন।

রিজভী আহমেদ আরো বলেন, রাষ্ট্র ও ক্ষমতাসীন দলের মধ্যকার পার্থক্যের অবসান ঘটেছে। রাষ্ট্র, এক ব্যক্তি ও দল এখন একাকার। এক ব্যক্তির অঙ্গুলী হেলনে জঙ্গলের শাসন চলছে।

আইন-আদালত, বিচার-আচার, প্রশাসন সবকিছু মিডনাইটে সীলমারা ভোটে নির্বাচিত অবৈধ সরকারের করতলে। বিচারের বাণী আলো-আঁধারে নিভৃতে কাঁদছে। বিরোধী দলকে নির্মূল ও নিশ্চিহ্ন করতে আদালতকে নগ্নভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে এক ভয়াবহ অশনি সংকেত সুষ্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই রায়ের মাধ্যমে সরকারের যে অসহিষ্ণুতা ফুটে উঠেছে। তাতে ভিন্ন মতকে দেশদ্রোহী হিসেবে দেখা হচ্ছে। সুতরাং বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলো যেন অপরাধী ও দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের মর্যাদায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

সর্বশেষ ঈশ্বরদীর এই হাস্যকর মামলার রায় জনগণের কাছে ষ্পষ্ট করেছে যে, কি পরিমাণ অপশাসন-কুশাসন আর জুলুম চলছে। যাদের ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে তাদের অধিকাংশের এফআইআর এ নাম পর্যন্ত ছিল না। আওয়ামী লীগ অভিযোগ করে, ১৯৯৪ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর দলীয় কর্মসূচিতে ট্রেনবহর নিয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে যাত্রাবিরতি করলে ওই ট্রেন ও শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। মামলাটির সময় পুলিশ কোনো সাক্ষী না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্টও দাখিল করে। পরে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর শেখ হাসিনার নির্দেশে আজ্ঞাবহ পুলিশকে দিয়ে মামলাটি পুনঃতদন্ত করে নতুনভাবে ঈশ্বরদীর শীর্ষস্থানীয় ৫২ জন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীকে এ মামলার আসামি বানানো হয়। তাদের অপরাধ তারা বিএনপি করে। এই কারণে বিচারের নামে আওয়ামী প্রহসনের নির্মম শিকার হলেন তারা।

লুৎফা টাওয়ারের সেই সুমন কারাগারে

জামাই আদরে কোর্টে পাঠানোর অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে নগরীর লুৎফা টাওয়ারের মালিকের ছেলে লুৎফর রহমান সুমনকে...
Shares