দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ বন্দরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া সংগঠন আওয়ামী লীগের এক নেতাকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার বালিয়া এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলাউদ্দিন দেওয়ানজীকে আটক করে পুলিশ।
পরে তাকে থানায় নিয়ে ৭ ঘন্টা থানা হেফাজতে রেখে রাতে ছেড়ে দেন বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন। আলাউদ্দিন দেওয়ানজী কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডেভিল হান্ট অভিযানে ২৮ ডিসেম্বর রবিবার বিকেল ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর উপজেলার বালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আলাউদ্দিন দেওয়ানজীকে আটক করে বন্দর থানার এসআই আব্দুল মোতালিব। একপর্যায়ে ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে আটকের পর জেলহাজতে না পাঠিয়ে রাতেই ছেড়ে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, আটকের পর থেকেই হাজী আলাউদ্দিন দেওয়ানজীকে ছাড়তে বিএনপির একাধিক নেতা সহ তাদের স্বজনদের সঙ্গে দেনদরবার শুরু করেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা। পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার এসআই মোতালিব জানান, আওয়ামীলীগ নেতা আলাউদ্দিন দেওয়ানজীকে আটকের পর থানায় নিয়ে আসি, সে খুবই অসুস্থ্য এসপি স্যারের নির্দেশে মানবিক কারণে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে আওয়ামীলীগ নেতাকে ছেড়ে দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, কোন টাকা পয়সা নেয়া হয়নি।
আওয়ামীলীগ নেতা আলাউদ্দিন দেওয়ানজীকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, তাকে থানায় নিয়ে আসার পর সিড়ি দিয়ে উঠতে পারে না, তার ওপেন হার্ট সার্জারি করেছে। এসপি সাহেবকে জানিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। ৩ লাখ টাকার বিষয়ে তিনি জানান, তাঁর কাছ থেকে কোন টাকা নেওয়া হয়নি, যে আপনাকে বলেছে তা মিথ্যে।