দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুরাদপুর এলাকায় শারমিন আক্তার (২৪) নামে এক নারী স্বাস্থ্যকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে তাঁর নিজ ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের বাম হাতে ব্লেড দিয়ে কাটার একাধিক পুরোনো চিহ্ন মেলায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় রহস্য ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত শারমিন আক্তার কুমিল্লার ভাগুরা উপজেলার জুগিরখেল এলাকার নাসির উদ্দিনের মেয়ে। তিনি বন্দরের মদনপুরস্থ ‘আল-বারাকা হাসপাতালে’ কর্মরত ছিলেন। অবিবাহিত শারমিন গত চার বছর ধরে মুরাদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একাই বসবাস করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ১১টা বেজে গেলেও শারমিনের ঘরের দরজা না খোলায় বাড়ির মালিকের ছেলের স্ত্রী তাঁকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হলে তিনি স্থানীয়দের খবর দেন। পরে সবার উপস্থিতিতে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শারমিনকে তাঁর শোবার ঘরের ধরণার (আড়া) সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ফজলুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় শারমিনের বাম হাতে ব্লেড দিয়ে কাটার মতো বেশ কিছু পুরোনো জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে এটি আত্মহত্যা।
ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ফজলুল হক বলেন, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে মেয়েটি দীর্ঘদিনের কোনো মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন, যার প্রমাণ তাঁর হাতের পুরোনো ক্ষতগুলো। আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।