1. [email protected] : The Bangla Express : The Bangla Express
  2. [email protected] : betseyova675956 :
  3. [email protected] : christianyal :
  4. [email protected] : florentinacorner :
  5. [email protected] : harrietti19 :
  6. [email protected] : heathhakala :
  7. [email protected] : jeffersondoi2 :
  8. [email protected] : jonnashoebridge :
  9. [email protected] : kerryearsman :
  10. [email protected] : lavondafortier8 :
  11. [email protected] : lottieclunie18 :
  12. [email protected] : malissahamblin4 :
  13. [email protected] : pamela3729 :
  14. [email protected] : quyendelarosa1 :
  15. [email protected] : sherieaster :
  16. [email protected] : Skriaz30 :
  17. [email protected] : Skriaz30 :
  18. [email protected] : thadbrier686611 :
  19. [email protected] : tpckandace :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দেওয়ার শর্তে মাদক ব্যবসা ছাড়ছে সুলতান ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে আরও পাঁচটি সাবমারসিবল পাম্প বসবে : প্রশাসক সাখাওয়াত সিদ্ধিরগঞ্জ ১ নং ওয়ার্ডে অবৈধ মেলা উচ্ছেদের নির্দেশ দিলেন সাখাওয়াত সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ডে খাল খনন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত সামনে হেলথ কার্ড আসছে, ফ্যামিলি কার্ডও আসবে: কালাম ইয়াবা ব্যবসায়িকে যাবজ্জীবন করাদণ্ড বায়ু দূষণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জড়িমানা বন্দর থানায় মাদক ব্যবসায়ীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার নাটক! নেপথ্যে ৯০ হাজার টাকার চুক্তি মদনগঞ্জ-মদনপুর মহাসড়কে নাসিকের ময়লার ভাগাড় নবীগঞ্জ-কাইকারটেক সড়ক সংস্কারের দাবিতে ২ ঘণ্টা অবরোধ, তীব্র যানজট ও আশ্বাসে প্রত্যাহার

না’গঞ্জে ফলের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মন্দায় আড়ৎদাররা

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস
  • Update Time : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩৯ Time View
foll
ফাইল ফটো

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জে এবার মৌসুমী ফলের চাহিদা থাকা সত্যেও ফল আড়তদারদের মাথায় হাত। করোনার কারনে বেচাকেনা মন্দা থাকায় পঁচে যাচ্ছে আম, কলা, আনারস। এদিকে কাঠাঁলের চাহিদা থাকলেও প্রচন্ড গরমের কারনে কাঠাঁল তেমনটা বিক্রয় হচ্ছে না বলে জানান কাঁঠাল বিক্রেতা।

শনিবার (৪ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ শহরের চারারগোপ পাইকারী ফলের আড়তে বিভিন্ন জাতের মৌসুমী ফলের পর্যাপ্ত চাহিদা থাকার পরেও ক্রেতাহীন আড়ৎ। রূপালী, হিমসাগর, ল্যাংরা, হাড়িভাংঙ্গা, লক্ষণভোগ আম প্রতি কেজি ৩০- ৪০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে। কিন্তু তাদের খরচ মিলে প্রতিকেজি আমে ৫০- ৬০ টায় পরে কিন্তু লোকসান দিয়েও বিক্রয় না হওয়ায় হতাস।

এ দিকে গরমের কারনে চাহিদার তালিকায় রয়েছে ডাব।

বাজার মন্দার বিষয়ে বিক্রেতারা জানান, চলমান এই করোনা ভাইরাসের কারনে ব্যাংক থেকে ঋৃন নিয়ে ব্যবসায় বসেছি কিন্তু বাজার মন্দা থাকার কারনে লোকসান দিয়েও বিক্রয় করা যাচ্ছে না। ব্যাংক ঋৃন দিতে পারছি না। যদি এভাবেই চলতে থাকে তাহলে আমাদের সামনের দিনগুলি খুবই ভয়াবহ হবে।

আরও সংবাদ
© All rights reserved by The Bangla Experss
DESIGNED BY RIAZUL