1. [email protected] : The Bangla Express : The Bangla Express
  2. [email protected] : betseyova675956 :
  3. [email protected] : florentinacorner :
  4. [email protected] : harrietti19 :
  5. [email protected] : heathhakala :
  6. [email protected] : jonnashoebridge :
  7. [email protected] : kerryearsman :
  8. [email protected] : lavondafortier8 :
  9. [email protected] : lottieclunie18 :
  10. [email protected] : malissahamblin4 :
  11. [email protected] : pamela3729 :
  12. [email protected] : quyendelarosa1 :
  13. [email protected] : sherieaster :
  14. [email protected] : Skriaz30 :
  15. [email protected] : Skriaz30 :
  16. [email protected] : thadbrier686611 :
  17. [email protected] : tpckandace :
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
চাষাড়ায় আঃলীগের গোপন বৈঠক চলাকালে তিনজন আটক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে উত্তাল মদনপুর,ওলামা পরিষদের বিশাল বিক্ষোভ ও মিছিল আড়াইহাজারে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যায় শ্রীঘরে ৪ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির ধাক্কায় না ফেরার দেশে অটো চালক সোনারগাঁয়ে ইয়াবা সহ ব্যবসায়ি শ্রীঘরে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই নারী প্রতি যৌন সহিংসতা ও নৃশংস আচরণের প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ  সোনারগাঁয়ে ভুমি মেলার উদ্বোধন  সোনারগাঁয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ জনের মৃত্যু

বন্দরে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৮২ Time View
bondhor

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ   নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাথের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে এসব অভিযোগের অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান।

বিদ্যালয় জানা গেছে, বন্দর উপজেলার চুনাভূড়া এলাকায় অবিস্থত আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ আলম।

তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে আলহাজ¦ ফজলুল হক এর অনুদানের টাকা ঋণ দেখিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ও বিভিন্ন অনুদান ব্যাংকে জনা দেননি, হাজার হাজার টাকা হাতে রেখে অনুমোদন বিহীন ব্যয় করা, এফডিআর ভাঙানো ৭৭ হাজার টাকা কোনো রেজুলেশন পাওয়া যায়নি এবং ব্যয় করার কোন প্রকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, ৯০ হাজার টাকা ছাত্রী উপবৃত্তির ভাউচারও পাওয়া যায়নি, ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে দোকানের কোন ভাউচারও নেই।

এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানের আয় এর সমূদয় টাকা ব্যাংকে জমা না করেই নিজের কাছে রেখে খরচ করেছেন। এমনকি ক্যাশ বহি কাটাকাটি করে ফ্লুইড ব্যবহার করে হিসাব মিলানোর চেষ্টা করেছেন।

এদিকে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শাহ আলম বিদ্যালয়ের পেইডে নিজ লিখিত জবান বন্ধীতে স্বীকার করেছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা প্রতিষ্ঠানের আয় থেকে নিয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ, সদস্য আফসার উদ্দিন ও সানজিদা জামান। ক্যাশ বহি, রেজুলেশন বহি এবং বিভিন্ন তারিখের ভাউচার যাচাই-বাচাই করে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮২ হাজার টাকা অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান থেকে করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে।

অপর দিকে আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিষয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পরও বিদ্যালয়ের টাকা ফিরত না দিয়ে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দ্বারস্থ হয় ওই শিক্ষক।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পূনরায় ইউএনও বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান, সদস্য হিসেবে ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ ও ইমাম উদ্দিন।

তারা ক্যাশ বহি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও বেতন আদায়ের রশিদ বই যাচাই-বাচাই করেন এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম প্রশাসনি ও আর্থিক কোন প্রশিক্ষণ না থাকায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুসরণ করেননি। তার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতভাবে সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহ আলম আর্থিক অনিয়ম করেছেন তার প্রমাণ পান। এবং তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান।

প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এসব ঘটনায় আদালতে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ড আপলি এন্ড আরবি স্ট্রেশনে বিচার চলমান রয়েছে।

আরও সংবাদ
© All rights reserved by The Bangla Experss
DESIGNED BY RIAZUL