দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ মর্গ্যাণ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষিকা লায়লা আকতারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সহকারী প্রধান শিক্ষিকার পদ থেকে পদত্যাগের পর ৬ জন শিক্ষক ও বহিরাগতদের নিয়ে স্কুল বন্ধ থাকাকালীন প্রবেশ করে রুমের তালা ভাঙ্গা, প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ছড়ানো, একই সাথে দুটি স্কুলে চাকরী করার পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রী ও শিক্ষকদের লিখিত অনাস্থা থাকার পরেও স্কুলে যোগদান করার নানা কৌশল অবলম্বন করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সদর মডেল থানায় লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, তৎকালিন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের আর্শিবাদ পুষ্ট হয়ে ২০১৭ সালে মর্গ্যাণ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে সহকারী প্রধান শিক্ষিকার পদে দায়িত্ব পান লায়লা আকতার। সেই সময় তিনি নগরীর পাইকপাড়া জয়গোবিন্দ স্কুলেও চাকরী করে আসছিলেন।
এ বিষয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এছাড়াও ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসের ২০ তারিখে শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সাথে ঐক্যমত পোষণ করে সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনাস্থা পোষণ করেন। তাছাড়া গত ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারী সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট স্থানীয় সরকার শাখা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেন মর্গ্যাণ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ। যেখানে ১৩টি অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন।
কে এই লায়লা আকতার ?
স্বামী সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হওয়ায় স্বামীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অপর্কম করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পরেও স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা লায়লা আকতার পুনরায় মর্গ্যাণ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে যোগদানের ঘোষনা দিয়েছে যা শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রীয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ২৯ র্মাচ সরকারী ছুটি শেষে মর্গ্যাণ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ খোলার ঘোষণা হয়েছে। আর সেই দিন শিক্ষিকা লায়লা আকতারের অবৈধভাবে যোগদানে সংর্ঘষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে দাবি করেন অভিভাবকবৃন্দরা।