1. [email protected] : The Bangla Express : The Bangla Express
  2. [email protected] : betseyova675956 :
  3. [email protected] : florentinacorner :
  4. [email protected] : harrietti19 :
  5. [email protected] : heathhakala :
  6. [email protected] : jeffersondoi2 :
  7. [email protected] : jonnashoebridge :
  8. [email protected] : kerryearsman :
  9. [email protected] : lavondafortier8 :
  10. [email protected] : lottieclunie18 :
  11. [email protected] : malissahamblin4 :
  12. [email protected] : pamela3729 :
  13. [email protected] : quyendelarosa1 :
  14. [email protected] : sherieaster :
  15. [email protected] : Skriaz30 :
  16. [email protected] : Skriaz30 :
  17. [email protected] : thadbrier686611 :
  18. [email protected] : tpckandace :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
ফতুল্লায় স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী শ্রীঘরে সোনারগাঁয়ে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে না’গঞ্জে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা বন্দরে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ করার সময় দুর্ঘটনা: চারদিন পর লাইনম্যানের মৃত্যু বন্দরে বর্জ্যে ভরাট কলাবাগের খাল সংস্কারের দাবি: ইউএনও বরাবর এলাকাবাসীর স্মারকলিপি প্রদান ফতুল্লায় ভূমিদস্যূ রাহাত গংদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন নাঃগঞ্জের জামপুর ইউনিয়নে ঈদ পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বন্দরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় ৩ নারীসহ আহত- ৪,থানায় মামলা বন্দরে ধরণায় ঝুলছিল নারীর মরদেহ, হাতে  মিলল ব্লেডের ক্ষত

বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অচল

দ্যা বাংলা এক্সপ্রেস
  • Update Time : রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯
  • ৪৩৮ Time View
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করেছে। এর ফলে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।

রোববার (২১ জুলাই) সকাল থেকেই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবন, কলা ভবন, ব্যবসা অনুষদ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের মূল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে রাখেন।

সকাল সাড়ে দশটা থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করেন তারা। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেন ডাকসুর সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আকতার হোসেন। এ সময় তিনি ঢাবি প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ফলে অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস বন্ধসহ একটি মৌখিক পরীক্ষাও বন্ধ রয়েছে। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে (আইএমএল) এই মৌখিক পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইনস্টিটিউটের গেটে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেওয়ায় পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে।

আইএমএলের পরিচালক শিশির ভট্টাচার্য বলেন, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রবেশ গেটে তালা দেওয়ার ফলে মৌখিক পরীক্ষা দিতে কেউ ভেতরে ঢুকতে পারছে না। তবে যারা আগেই ভেতরে ঢুকতে পেরেছে তারা ভাইভা দিচ্ছে। শিক্ষকরা ২টা পর্যন্ত ভাইভা নিবে। যারা এখনও ঢুকতে পারেনি তারা যে কোন সময় আসতে পারেন। এছাড়া যারা ভাইভা দিতে পারবে না তাদের জন্য পরেও ভাইভার ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে নিজ কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ। কিন্তু শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে তিনি ফিরে যেতে বাধ্য হন। এ সময় প্রো-ভিসি শিক্ষার্থীদের বলেন, সাত কলেজকে ঢাবির অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একক কোন সিদ্ধান্ত নয়। এটি একটি জাতীয় সিদ্ধান্ত। তাই এটি পরিবর্তন করতে হলে একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সে সময় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত রাখার জন্য বলেন তিনি।

শিক্ষার্থীরা জানায়, বর্তমানে ঢাবি প্রশাসনের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে এই সাত কলেজ। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে ঢাবি প্রশাসন ব্যর্থ সেখানে এই সাত কলেজের অতিরিক্ত পৌনে দুই লাখ শিক্ষার্থীর দায়িত্বভার গ্রহণ করা অনাকাঙ্খিত এবং অযৌক্তিক। তাই ঢাবির অধিভুক্তি থেকে এই সাত কলেজকে বাদ দেয়ার দাবি তাদের।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আহ্বায়ক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আকাশ হোসেন আবির বলেন, শিক্ষার্থীরা সরকারি সাত কলেজের বিরোধিতা করছে না। তারা চায় এই সাত কলেজেরও শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে হোক। কিন্তু তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নয়। তা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের আওতায় হোক।

তিনি আরও বলেন, কোন ধরনের পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সাত কলেজকে ঢাবির অধিভুক্ত করায় বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কারণ অতিরিক্ত সাত কলেজ পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যথেষ্ট জনবল ও সামর্থ্য নেই।

আরও সংবাদ
© All rights reserved by The Bangla Experss
DESIGNED BY RIAZUL